২০১১ সাল থেকে বকরি ব্যবসায়ীরা ভারতের ঈদ বাজারে খানদের নামে বকরি বিক্রি করে বেশি দাম পাবার কৌশলের আশ্রয় নেয়। সে বছর শাহরুখ, সালমান আর সাইফ খানের নামে বকরি বিক্রি করে ভালো ব্যবসা করেন ব্যবসায়ীরা।
সে বাজারে শাহরুখের চেয়ে সালমানের ওজন হয় ২৫ কেজি বেশি। আর সাইফের ওজন হয় শাহরুখের চেয়ে ২০ কেজি কম। তবে সাইফিনা চার লাখ রুপিতে বিক্রি করে সর্বোচ্চ রেকর্ড করে।আমির খান বিক্রি হয় দেড় লাখ রুপিতে।
এরপর ২০১৩ সালে শাহরুখ, সালমান আর আমির নামে তিনটা বকরি বিক্রি হয়। ১৫ হাজার থেকে ৫ লাখ রুপি পর্যন্ত চড়া দাম হাঁকেন এদের মালিক। তবে এতো দামে বিক্রি করা যায়নি।
আবার ২০১৫ সালে শাহরুখ খানকে ১ লাখ রুপির ব্যবধানে হারিয়ে দেয় সালমান খান! শাহরুখ খান নামের একটি বকরি বিক্রি হয় ১০ হাজার রুপিতে আর সালমান খান নামের আরেকটি বকরি বিক্রি হয় ১ লাখ ১০ হাজার রুপিতে।
একজন বকরি ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমি আমার দুই বছরের নাদুসনুদুস বকরির নাম রেখেছি সালমান খান আর দাম হাঁকিয়েছি ১ লাখ ১০ হাজার।’ ব্যবসায়ীরা জানান, বলিউডের মুসলিম তারকা, বিশেষ করে ‘খান’-দের নামে বকরির নাম রাখলে তা খুব ভালো দামে বিক্রি করা যায়। শুধু কি তাই? তারা বকরির গায়ে রং দিয়ে আলপনা এঁকে, সেগুলোর পায়ে ঘুঙুর বেঁধে, চোখের পাপড়িতে রং করে আকর্ষণীয় করে হাটে নিয়ে আসেন। এ বছর অবশ্য কোনো খানকে হাটে উঠানো হয়নি।

No comments:
Post a Comment