ছবিঃ বিভাস লোধ
বাংলা টেলিভিশনের বেশিরভাগ ধারাবাহিকেরই সম্প্রচার ব্যাহত হয়েছে। নির্দিষ্ট স্লটে রিপিট টেলিকাস্ট দেখাতে বাধ্য হয়েছে চ্যানেল। টেলিপাড়ায় আর কতদিন বন্ধ থাকবে শ্যুটিং এই প্রশ্ন আর শুধু শিল্পী-টেকনিসিয়ানদের মধ্যে আবদ্ধ নেই। এই প্রশ্ন এখন দর্শকের মনেও। আজ সকালে নজরুল মঞ্চে সমস্ত শিল্পীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে আর্টিস্ট ফোরাম। আশা করা যায় এই বৈঠকেই মিলবে সমাধান সূত্র।
বাংলা টেলিভিশনের বেশিরভাগ ধারাবাহিকেরই সম্প্রচার ব্যাহত হয়েছে। নির্দিষ্ট স্লটে রিপিট টেলিকাস্ট দেখাতে বাধ্য হয়েছে চ্যানেল। টেলিপাড়ায় আর কতদিন বন্ধ থাকবে শ্যুটিং এই প্রশ্ন আর শুধু শিল্পী-টেকনিসিয়ানদের মধ্যে আবদ্ধ নেই। এই প্রশ্ন এখন দর্শকের মনেও। আজ সকালে নজরুল মঞ্চে সমস্ত শিল্পীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে আর্টিস্ট ফোরাম। আশা করা যায় এই বৈঠকেই মিলবে সমাধান সূত্র।
ইতিমধ্যেই শ্যুটিং বন্ধ থাকার ফলে বিপর্যস্ত প্রযোজকরা গিল্ড মারফত একটি চিঠি পাঠিয়েছেন আর্টিস্ট ফোরামের কাছে। সেই চিঠির মূল বক্তব্য এটাই দাঁড়ায় যে টেলিপাড়ায় যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা একেবারেই কাম্য নয় এবং ফোরাম যে সার্কুলার পাঠিয়ে আর্টিস্টদের শ্যুটিংয়ে যেতে বারণ করেছে তা সার্বিক অসহযোগিতার পরিচয়। এছাড়া যে সমস্ত দাবিগুলি ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সেগুলিও অযৌক্তিক। আর্টিস্টরা শ্যুটিং বয়কট করায় বহু প্রযোজকরা ঠিক সময়ে এপিসোড জমা দিতে পারছেন না চ্যানেল কর্তৃপক্ষের কাছে। এর ফলে তাঁদের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ওদিকে সোমবার ২০ অগস্ট আর্টিস্ট ফোরামের সাংবাদিক বৈঠকে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বাংলা টেলিভিশনে কাজের পরিবেশের ক্রমশ অবনতি ঘটেছে। শিল্পীদের ঠিক সময়ে পারিশ্রমিক না দেওয়া, অতিরিক্ত সময় কাজ করানো এবং তাঁদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ইত্যাদির সঠিক ব্যবস্থা করছেন না বহু প্রযোজক। এই বিষয়গুলির সমাধানসূত্র নির্ধারণের জন্য একটি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল আর্টিস্ট ফোরাম এবং প্রোডিউসার্স গিল্ডের মধ্যে। কিন্তু সেই চুক্তিমতো কাজ করছেন না বহু প্রযোজক, এমনটাই অভিযোগ আর্টিস্ট ফোরামের এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শ্যুটিং বয়কট করার সিদ্ধান্ত।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্টিস্টদের সময় মতো পারিশ্রমিক না দেওয়া বা তাঁদের প্রাপ্যের থেকে অনেক কম পারিশ্রমিক দেওয়া। গত ১৬ অগস্ট সমস্ত শিল্পীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু সব প্রযোজকরা তেমনটা করেননি। তাই শেষ পর্যন্ত ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে আর্টিস্ট ফোরামকে। মঙ্গলবার সমস্ত সদস্যদের নিয়ে সাধারণ সভাতে আলোচনায় বসবে আর্টিস্ট ফোরাম। এই বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তার উপরেই নির্ভর করছে সবকিছু।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্টিস্টদের সময় মতো পারিশ্রমিক না দেওয়া বা তাঁদের প্রাপ্যের থেকে অনেক কম পারিশ্রমিক দেওয়া। গত ১৬ অগস্ট সমস্ত শিল্পীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু সব প্রযোজকরা তেমনটা করেননি। তাই শেষ পর্যন্ত ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে আর্টিস্ট ফোরামকে। মঙ্গলবার সমস্ত সদস্যদের নিয়ে সাধারণ সভাতে আলোচনায় বসবে আর্টিস্ট ফোরাম। এই বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তার উপরেই নির্ভর করছে সবকিছু।


No comments:
Post a Comment