সোমবার রিওয়ারি গণধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত তিন আসামিকে সোমবার ২১শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনজনকেই গতকাল পুলিশের বিশেষ তদন্ত দল গ্রেপ্তার করেছে।
প্রসঙ্গত আজ দুপুরে পুলিশ তিনজন অভিযুক্ত,- নিশু, দীন দয়াল ও সঞ্জীবকে বিকেলে কনিনার উপ-বিভাগীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পিয়ুষ শর্মার আদালতে পেশ করা হয় এবং সাত দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।
পুলিশের দাবী, মামলায় অভিযুক্তদের বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন এবং তাদের সহযোগীদের অনুসন্ধানে রাজস্থান ও হরিয়ানাতে অভিযান চালানো প্রয়োজন। পুলিশ আরও জানায়,-“তারা নিশুর কাছ থেকে তার বন্ধুদের গোপন জায়গা চিহ্নিত করতে চায়।” এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, প্রধান আসামী নিশুকে কোনো আইনজীবী প্রতিনিধিত্ব করেননি এবং আইনী সহায়তা পরামর্শক মিনাক্ষী কুমারীর সাহায্য প্রদান করা হয়েছে। তবে সঞ্জীবের বিরুদ্ধে অপরাধ গোপন করার অভিযোগের জন্য পুলিশি হেফাজতের বিরুদ্ধে অ্যাডভোকেট সন্দীপ যাদব বলেন, তার মক্কেলের নাম এফআইআর-এ দেওয়া হয়নি এবং তাঁর মক্কেল উক্ত অপরাধ ও ষড়যন্ত্রে জড়িত নয়, বরং সে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার, এবংকিশোরী মেয়েটির অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্তদের দ্বারা সঞ্জীবকে ডেকে আনা হয়েছিল। আরেক অভিযুক্ত, দীন দয়ালের বিরুদ্ধে তার কলঘরের চাবি ভাগাভাগি করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা অস্বীকার করে দীন দয়ালের আইনজীবী রাকেশ লাম্বা জানান, যে অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সময় তার মক্কেল কোসলিতে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে গিয়েছিলেন এবং পরে ব্যক্তিগত কাজে একটি দু-চাকা সংস্থায় যান, এবং এর প্রমান সাপেক্ষে সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।সাথে সাথে মিঃ লাম্বা বলেন অস্বীকার করেন যে তার মক্কেল, অন্য অভিযুক্তকে রুমের চাবি দিয়েছিলেন, এবং লাম্বা এও দাবি করেন যে, মামলায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতারের ব্যর্থতা পূরণের জন্যই পুলিশ তার মক্কেলকে জড়িত করেছে।

No comments:
Post a Comment