সোমবার মালবাজার মহকুমার মেটেলি ব্লকের গাছবাড়িতে বিশ্বকর্মার বাহন হাতিপুজো করলো বন দপ্তর।প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও নিয়ম নিষ্ঠার সাথে ধুমধাম করে পালন করা হয় হাতি পুজো। গ্রামবাসিদের সাথে পর্যটকেরাও পুজোতে অংশ নেয়।তারাও এদিন সকাল থেকে উপোস করে থাকে পুজো শেষ না হওয়া পর্যন্ত।সুর্য্য, কাবেরি, হিলারি,ডায়না, রাজা, শ্রাবনী এই ছয়টা কুনকি হাতিকে এদিন পুজো করা হয়।সকাল সকাল তাদের মুর্তি নদিতে ঘসে মেজে স্নান করানো হয়।এরপর তাদের রঙ বেরং এর চক দিয়ে সাজানো হয়। গায়ে প্রতি হাতির নাম লিখে দেওয়া হয়।তাদের পুজো মন্ডপে নিয়ে আসা হয়। শাঁখ বাজে। উলুধ্বনি দেওয়া হয়।পুরোহিত নিয়মনীতি মেনে মন্ত্র উচ্চারন করে পুজো করে। পুজো শেষ হলেই হাতিদের ভালমন্দ খাওয়ান হয়। পর্যটকেরাও কলা, আপেল সহ অনান্য ফলমুল হাতিদের নিজের হাতে খাইয়ে দেন। শেষে গ্রামবাসি ও পর্যটকেরা বসে একসাথে ভুড়ি ভোজন করে। সব মিলিয়ে ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন হাতি পুজোতেই মেতে ওঠে সবাই।
সোমবার মালবাজার মহকুমার মেটেলি ব্লকের গাছবাড়িতে বিশ্বকর্মার বাহন হাতিপুজো করলো বন দপ্তর।প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও নিয়ম নিষ্ঠার সাথে ধুমধাম করে পালন করা হয় হাতি পুজো। গ্রামবাসিদের সাথে পর্যটকেরাও পুজোতে অংশ নেয়।তারাও এদিন সকাল থেকে উপোস করে থাকে পুজো শেষ না হওয়া পর্যন্ত।সুর্য্য, কাবেরি, হিলারি,ডায়না, রাজা, শ্রাবনী এই ছয়টা কুনকি হাতিকে এদিন পুজো করা হয়।সকাল সকাল তাদের মুর্তি নদিতে ঘসে মেজে স্নান করানো হয়।এরপর তাদের রঙ বেরং এর চক দিয়ে সাজানো হয়। গায়ে প্রতি হাতির নাম লিখে দেওয়া হয়।তাদের পুজো মন্ডপে নিয়ে আসা হয়। শাঁখ বাজে। উলুধ্বনি দেওয়া হয়।পুরোহিত নিয়মনীতি মেনে মন্ত্র উচ্চারন করে পুজো করে। পুজো শেষ হলেই হাতিদের ভালমন্দ খাওয়ান হয়। পর্যটকেরাও কলা, আপেল সহ অনান্য ফলমুল হাতিদের নিজের হাতে খাইয়ে দেন। শেষে গ্রামবাসি ও পর্যটকেরা বসে একসাথে ভুড়ি ভোজন করে। সব মিলিয়ে ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন হাতি পুজোতেই মেতে ওঠে সবাই।

No comments:
Post a Comment