নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বিজেপি রাজ্য সভাপতির উপর হামলার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদী আন্দোলন। সোমবার কাঁথিতে বিজেপির সভা ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে আসানসোলে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হয় বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা ৷ বিজেপির পক্ষ থেকে মদনমোহন চৌবে বলেন , ১০মিনিটের প্রতিকি পথ অবরোধ করা হোলো ৷ আগামী দিনে তৃণনূলের হামলা ও সন্ত্রাস বন্ধ না হলে আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ৷ঘটনা স্থলে দক্ষিণ থানার পুলিশ আস্বাসে অবরোধ উঠে।
অন্যদিকে মাননীয় রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে জেলা জুড়ে রাস্তা অবরোধ হয়, জয়নগরের দক্ষিণ বারাসাত,গোয়ালবেরিয়া ও জীবন মন্ডলের হাট, সোনারপুরের রাজপুর মোড় অবরোধ হয়।
প্রসঙ্গত পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপির এক সভা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর গাড়ি, ভাঙচুর করা হয় ও দিলীপ ঘোষের সভা তাক করে ইট,পাটকেল ছোঁড়া হয় বলে খবর।সোমবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতার দক্ষিণ বাঘাযতীন মোড়ে অবরোধ করে বিজেপি কর্মীরা।
এ প্রসঙ্গে জয়বাবু বলেন, অগত্যা বাধ্য হয়েই এই পথ অবরোধ করতে হয়েছে।কারণ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মহাশয় আক্রান্ত হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। সিকিউরিটি থাকার কারণে তাঁর গায়ে কোনও আঁচ না লাগলেও,তাঁর গাড়ির কাঁচ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী।এই নিয়ে ৭ বার আক্রান্ত হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। ফলে এর প্রতিবাদেই সোমবার বাঘাযতীন মোড়ে পথ অবরোধ করেন তারা।
প্রসঙ্গত, বিজেপির সভায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল কাঁথিতে। সোমবার কাঁথির জনমঙ্গল প্রেক্ষাগৃহে সাংগঠনিক সভার আয়োজন করেছিল কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি। সেই সভাতে যোগদান করতে আসেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ সভায় যোগদান করার পরই হামলা শুরু হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় দিলীপ ঘোষের গাড়ি। বিজেপি সমর্থদের শতাধিক বাইকও ভাঙচুর করা হয়। দুষ্কৃতীদের ইটের আঘাতে জখম হন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী।তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। গোটা ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যুক্ত বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলেন, আমাদের রাজনৈতিকগতভাবে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ঠেকাতে অক্ষম তৃণমূল। আর সে কারণে শারীরিক আক্রমণ করা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে এই হামলা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর আপাতত সভা স্থগিত রেখেছে বিজেপি। ঘটনায় অভিযোগ জানাতে কাঁথি থানায় গেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।হামলার অভিযোগ নস্যাৎ করে গোটা ঘটনাই বিজেপির ধর্মীয় বিভাজনের জন্য জনতা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের।


No comments:
Post a Comment