আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে বাম নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়াল পুলিশ।সোমবার পাঁচ দফা দাবিতে আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি নিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্ট। এজন্য থানা এবং আশপাশের এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।আমডাঙা থানার একদিকে রয়েছে সন্তোষপুর, অন্যদিকে আওয়াল সিদ্ধি মোড়। দুইদিক থেকেই বাম নেতা-কর্মীরা থানার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। আওয়াল সিদ্ধি মোড়ে পুলিশের বাধায় আটকে পড়েন হাবড়ার প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক প্রণব ভট্টাচার্য সহ অন্য নেতারা। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসা হয়। সন্তোষপুর মোড়েও বাম নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা হয়েছে।
প্রসঙ্গত পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে ২৮ অগাস্ট থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আমডাঙা। CPI(M) ও তৃণমূলের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হন প্রায় ২৮ জন। পুলিশ যাতে এলাকায় ঢুকতে না পারে সেজন্য রাস্তা কেটে দেওয়া হয়েছিল। সংঘর্ষের পরদিন IG (দক্ষিণবঙ্গ) নীরজ সিংয়ের নেতৃত্বে পুলিশ ও RAF আমডাঙার বহিসগাছি, মালতীপুর ও শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামে ঢোকে। শুরু হয় ধরপাকড় ও অস্ত্র উদ্ধার। গত কয়েকদিনের অভিযানে পুলিশ এলাকা থেকে প্রচুর বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৪ জনকে।
CPI(M)-র অভিযোগ, তৃণমূলের নির্দেশে পুলিশ শুধু তাদের কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। এর প্রতিবাদে আজ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের তরফে আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে আমডাঙা থানা। বামেদের কর্মসূচির কথা মাথায় রেখে থানার সামনে এদিন সকাল থেকেই প্রচুর পুলিশ, RAF ও কমব্যাট ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে দমকলের ইঞ্জিন।

No comments:
Post a Comment