যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য কলোরাডোতে গাঁজা ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত আয়করের পরিমাণ ২০ লাখ ডলার। গত জানুয়ারি মাসে কলোরাডোতে বৈধ গাঁজা বিক্রির দোকানগুলো থেকে এই বিপুল পরিমান অর্থ আয়কর হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে।
কলোরাডোতেই প্রথম সর্বসাধারণের জন্য গাঁজা বিক্রি বৈধ করা হয়েছে। গত ২০১২ সালে গাজা বিক্রির বৈধ করার বিষয়টি চূড়ান্ত হলেও ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাস থেকে মূলত শুরু হয় এ ব্যবসা। আর বিক্রির প্রথম মাসেই এই পরিমাণ আয়কর জমা হয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।
কলোরাডো আয়কর বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, মোট ৫৯ প্রতিষ্ঠান এই আয়কর দিয়েছে। যদি চিকিৎসা খাতে গাঁজা বিক্রির অর্থের হিসাব যুক্ত করা হয় তাহলে মোট আয়করের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৫ লাখ ডলার।
কলোরাডোর গর্ভনর জন হিকেন লুপার প্রস্তবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই অর্থ অঙ্গরাজ্যের কর্মসংস্থান খাতে, সহিংসতায় আহতদের চিকিৎসায় এবং জনস্বাস্থ্য খাতে ব্যবহার করা হবে।
আগামী বছর নাগাদ ওয়াশিংটনেও বৈধভাবে গাজা বিক্রির বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। যদিও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশটি অঙ্গরাজ্যে চিকিৎসার জন্য গাঁজা বিক্রি বৈধ করা হয়েছে।
সম্প্রতি এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, ‘গাঁজা মদের তুলনায় অনেক কম ক্ষতিকর। যদিও দুটোরই খারাপ দিক রয়েছে।’

No comments:
Post a Comment