চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর :পুরাতন সেতু জীর্ণ এবং সংকীর্ণ। আর সে কারণেই দিঘা যাওয়ার পথে ১১৬ বি জাতীয় সড়কে রামনগর খালের ওপর তৈরি করা হয়েছিল নতুন সেতু। পুরাতন সেতুটি চালু রাখা হয় দিঘা-এগরা রুটের যান চলাচলের জন্য। বর্তমানে রামনগরের সেই পুরাতন সেতুই পরিণত হয়েছে মৃত্যু ফাঁদে। সেতুর জরাজীর্ণ অবস্থায় আতঙ্কিত নিত্যযাত্রীরা।সেতুটির নিচে রয়েছে বিরাট খাল। দিঘা- এগরা সড়কে যাওয়ার জন্য এই রাস্তাই ব্যবহার করে অসংখ্য যানবাহন। যাত্রীবাহী গাড়ি যেমন রয়েছে, তেমনই থাকে পণ্যবাহী বড় বড় ট্রাক। কিন্তু সেতুর বর্তমান হালে উদ্বিগ্ন নিত্যযাত্রীরা।সেতুর অনেক জায়গাতেই ফাটল ধরেছে, বেরিয়ে পড়েছে রড। আর পরিপূর্ণ খানাখন্দে। সেতু দিয়ে হেঁটে চলার সময় আচমকা বাস কিংবা লরি উঠলেই কেঁপে ওঠে ঝনঝনিয়ে। তাই সেতু পার হওয়ার সময় রীতিমতো আতঙ্কে থাকেন সাধারণ মানুষ এবং গাড়ি চালকরা। মাঝেরহাট ব্রিজ ভাঙার পরে সেই আতঙ্ক স্বভাবতই বেড়েছে। রাজ্য পূর্ত দপ্তর দেখভাল করে এই সেতু এবং রাস্তাটি। বিভাগীয় দপ্তরের নজরদারির অভাবের জন্য বর্তমানে এই পরিস্থিতি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় স্কুলের শিক্ষিকা সোনালী বারিক ভঞ্জ এবং ব্যবসায়ী মুক্তিশঙ্কর দে বলেন,"সেতুর অনেকগুলি পিলার জলের মধ্যে রয়েছে, সেগুলির ক্ষয় ধরেছে কিনা, তাও স্পষ্ট নয়। অবিলম্বে এই সেতু সংস্কার বন্ধ করে দেওয়া উচিত। তা না হলে যে কোনও মুহূর্তেই ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা।" রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে সেতুটি যে বিপর্যস্ত সে কথা মানছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্তারা। সেতুটি যাতে দ্রুত মেরামত করা হয় সে দাবি পূর্ত দপ্তরকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন রামনগর ১ ব্লকের বিডিও আশিসকুমার রায় এবং পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি নিতাইচরণ সার।
চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর :পুরাতন সেতু জীর্ণ এবং সংকীর্ণ। আর সে কারণেই দিঘা যাওয়ার পথে ১১৬ বি জাতীয় সড়কে রামনগর খালের ওপর তৈরি করা হয়েছিল নতুন সেতু। পুরাতন সেতুটি চালু রাখা হয় দিঘা-এগরা রুটের যান চলাচলের জন্য। বর্তমানে রামনগরের সেই পুরাতন সেতুই পরিণত হয়েছে মৃত্যু ফাঁদে। সেতুর জরাজীর্ণ অবস্থায় আতঙ্কিত নিত্যযাত্রীরা।সেতুটির নিচে রয়েছে বিরাট খাল। দিঘা- এগরা সড়কে যাওয়ার জন্য এই রাস্তাই ব্যবহার করে অসংখ্য যানবাহন। যাত্রীবাহী গাড়ি যেমন রয়েছে, তেমনই থাকে পণ্যবাহী বড় বড় ট্রাক। কিন্তু সেতুর বর্তমান হালে উদ্বিগ্ন নিত্যযাত্রীরা।সেতুর অনেক জায়গাতেই ফাটল ধরেছে, বেরিয়ে পড়েছে রড। আর পরিপূর্ণ খানাখন্দে। সেতু দিয়ে হেঁটে চলার সময় আচমকা বাস কিংবা লরি উঠলেই কেঁপে ওঠে ঝনঝনিয়ে। তাই সেতু পার হওয়ার সময় রীতিমতো আতঙ্কে থাকেন সাধারণ মানুষ এবং গাড়ি চালকরা। মাঝেরহাট ব্রিজ ভাঙার পরে সেই আতঙ্ক স্বভাবতই বেড়েছে। রাজ্য পূর্ত দপ্তর দেখভাল করে এই সেতু এবং রাস্তাটি। বিভাগীয় দপ্তরের নজরদারির অভাবের জন্য বর্তমানে এই পরিস্থিতি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় স্কুলের শিক্ষিকা সোনালী বারিক ভঞ্জ এবং ব্যবসায়ী মুক্তিশঙ্কর দে বলেন,"সেতুর অনেকগুলি পিলার জলের মধ্যে রয়েছে, সেগুলির ক্ষয় ধরেছে কিনা, তাও স্পষ্ট নয়। অবিলম্বে এই সেতু সংস্কার বন্ধ করে দেওয়া উচিত। তা না হলে যে কোনও মুহূর্তেই ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা।" রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে সেতুটি যে বিপর্যস্ত সে কথা মানছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্তারা। সেতুটি যাতে দ্রুত মেরামত করা হয় সে দাবি পূর্ত দপ্তরকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন রামনগর ১ ব্লকের বিডিও আশিসকুমার রায় এবং পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি নিতাইচরণ সার।

No comments:
Post a Comment