চলে গেলেন আসানসোলের গন আন্দোলনের কর্মী বিশিষ্ট গনসঙ্গীত শিল্পী শক্তি ভট্টাচার্য। গতকাল রাতে আসানসোল জেলা হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বেশ কয়েকদিন ধরে কিডনি জাতীয় রোগে ভুগছিলেন তিনি। ষাটের দশক থেকেই সক্রিয় গন আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন শক্তি ভট্টাচার্য। গননাট্যের কর্মী ছিলেন। গনসঙ্গীত গেয়ে উদ্বুদ্ধ করতেন মানুষকে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। নিজে একসময় ইসিএলে চাকরি করলেও দলের কাজ ও গান গাওয়ার জন্য চাকরি স্থলেও ভাটা পড়ত। প্রচন্ড ত্যাগ জীবনে। সাংসারিক সমস্ত বাধা কাটিয়ে শক্তি ভট্টাচার্য যেন সমস্ত মানুষের হতে চেয়েছিলেন। এদিন তাই তার শেষ যাত্রায় সমবেত স্বরে সবাই গেয়ে উঠলেন ইন্টারন্যাশানাল। ঢেকে দেওয়া হল রক্ত পতাকা আর গননাট্যের পতাকায়। আসানসোলের সমস্ত বাম নেতা ও বু্দ্ধিজীবিরা উপস্থিত ছিলেন শক্তি ভট্টাচার্যের শেষ যাত্রায়। পায়ে পা মিলল, গলায় গলা মিলে গানেই শেষ শ্রদ্ধা শিল্পীকে। শক্তি ভট্টাচার্য একটি যুগ। যে যুগের যেন অবসান নেই।
চলে গেলেন আসানসোলের গন আন্দোলনের কর্মী বিশিষ্ট গনসঙ্গীত শিল্পী শক্তি ভট্টাচার্য। গতকাল রাতে আসানসোল জেলা হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বেশ কয়েকদিন ধরে কিডনি জাতীয় রোগে ভুগছিলেন তিনি। ষাটের দশক থেকেই সক্রিয় গন আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন শক্তি ভট্টাচার্য। গননাট্যের কর্মী ছিলেন। গনসঙ্গীত গেয়ে উদ্বুদ্ধ করতেন মানুষকে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। নিজে একসময় ইসিএলে চাকরি করলেও দলের কাজ ও গান গাওয়ার জন্য চাকরি স্থলেও ভাটা পড়ত। প্রচন্ড ত্যাগ জীবনে। সাংসারিক সমস্ত বাধা কাটিয়ে শক্তি ভট্টাচার্য যেন সমস্ত মানুষের হতে চেয়েছিলেন। এদিন তাই তার শেষ যাত্রায় সমবেত স্বরে সবাই গেয়ে উঠলেন ইন্টারন্যাশানাল। ঢেকে দেওয়া হল রক্ত পতাকা আর গননাট্যের পতাকায়। আসানসোলের সমস্ত বাম নেতা ও বু্দ্ধিজীবিরা উপস্থিত ছিলেন শক্তি ভট্টাচার্যের শেষ যাত্রায়। পায়ে পা মিলল, গলায় গলা মিলে গানেই শেষ শ্রদ্ধা শিল্পীকে। শক্তি ভট্টাচার্য একটি যুগ। যে যুগের যেন অবসান নেই।

No comments:
Post a Comment