তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু । মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা। মৃত ছাত্র হল শুভেন্দু মন্ডল । সরিষা হাইস্কুলের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র সে । জানা যায়, বাবা সুজিত মন্ডল ।পেশায় দিনমজুর । দুই ভাইবোন মৃতেরা । সবছেয়ে আদুরে সে। দিদি স্নেহা মন্ডল দশম শ্রেনীর ছাত্রী গান বাজনায় পারদর্শী ছিল দুজনে। অস্বাভাবিক মৃত্যুতে হতবম্ব গোটা এলাকা।ডায়মন্ড হারবার থানার কলাগাছিয়া রথতলা ঘটনা। বাড়ির বিছানা থেকে অচৈতন্য অবস্থা উদ্ধার হয় । ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষনা করে। অভিযোগ শুক্রবার সন্ধ্যায় মা ও দিদি মন্দিরে প্রাথনা যাবে বলে বেরই বাড়ি থেকে । বাবা কাজের তাগিদে বাইরে ছিলেন । রাত্রী ৮ টার সময় বাড়ির লোক ডাকাডাকি করলে সারা না পাওয়াই সন্দেহ জাগে । পরে প্রতিবেশি সহ কিশোরের কাকাদের ডেকে জানালা ভাঙে । ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে পরে দরজা ভাঙে । উদ্ধার করে নবছরের শুভ্রেন্দুকে । প্রথমে সরিষা ব্লক হাসপাতাল পরে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় । ততক্ষনে সব শেষ । মৃতের পরিবারের দাবি শুভ্রেন্দুর গলায় রয়েছে দাগ । দড়ি দিয়ে শ্বাস রোধ করে খুন করা হয়েছে । দাবি মৃতের বাবার । দুদিন ধরে দই খাবে বলে বাইনা করেছিল শুভ্রেন্দু । সেই মতো শুক্রবার দই এনেছিল দিদি স্নেহা। আনাটাই সুধু স্বাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে । শেষ মেস খাওয়া হলনা । বাবা মা দুই ভাইবোনে থাকতো টালির ছোট্ট কুঁড়েঘরে । মন্ডল বংশের এক মাত্র বংশের প্রদ্বীপ ছিল শুভ্রেন্দু। অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা । এলাকায় ভালো ছেলে হিসাবে নাম ডাক এই কিশোরের । অস্বাভাবিক মৃত্যুর পিছনে রয়েছে কি কারোর হাত । দাবি আত্মীয় পরিজনদের । ঘটনায় পূর্নাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন পরিবার পরিজন থেকে এলাকার বাসিন্দারা । ঘরের মধ্যো সাঁঝের বেলায় কি কিশোর একা ছিলেন । সেই সুযোগে কি আঁততায়িরা মেরেছে । না কি নিছক দুর্ঘটায় অকালে মৃত্যু এই কিশোরের । উঠছে প্রশ্ন । কিভাবে অলিগলির লোক বসতির মধ্যো এই ঘটনা ঘটল । ঘটনার পর মৃতদেহ টি ময়না তদ্তে পাঠানো হয়েছে । তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ । শুভেন্দুর মৃত্যুতে দোষিদের শাস্তির অপেক্ষায় বসেছে পরিবার পরিজনরা।
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু । মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা। মৃত ছাত্র হল শুভেন্দু মন্ডল । সরিষা হাইস্কুলের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র সে । জানা যায়, বাবা সুজিত মন্ডল ।পেশায় দিনমজুর । দুই ভাইবোন মৃতেরা । সবছেয়ে আদুরে সে। দিদি স্নেহা মন্ডল দশম শ্রেনীর ছাত্রী গান বাজনায় পারদর্শী ছিল দুজনে। অস্বাভাবিক মৃত্যুতে হতবম্ব গোটা এলাকা।ডায়মন্ড হারবার থানার কলাগাছিয়া রথতলা ঘটনা। বাড়ির বিছানা থেকে অচৈতন্য অবস্থা উদ্ধার হয় । ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষনা করে। অভিযোগ শুক্রবার সন্ধ্যায় মা ও দিদি মন্দিরে প্রাথনা যাবে বলে বেরই বাড়ি থেকে । বাবা কাজের তাগিদে বাইরে ছিলেন । রাত্রী ৮ টার সময় বাড়ির লোক ডাকাডাকি করলে সারা না পাওয়াই সন্দেহ জাগে । পরে প্রতিবেশি সহ কিশোরের কাকাদের ডেকে জানালা ভাঙে । ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে পরে দরজা ভাঙে । উদ্ধার করে নবছরের শুভ্রেন্দুকে । প্রথমে সরিষা ব্লক হাসপাতাল পরে ডায়মন্ড হারবার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় । ততক্ষনে সব শেষ । মৃতের পরিবারের দাবি শুভ্রেন্দুর গলায় রয়েছে দাগ । দড়ি দিয়ে শ্বাস রোধ করে খুন করা হয়েছে । দাবি মৃতের বাবার । দুদিন ধরে দই খাবে বলে বাইনা করেছিল শুভ্রেন্দু । সেই মতো শুক্রবার দই এনেছিল দিদি স্নেহা। আনাটাই সুধু স্বাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে । শেষ মেস খাওয়া হলনা । বাবা মা দুই ভাইবোনে থাকতো টালির ছোট্ট কুঁড়েঘরে । মন্ডল বংশের এক মাত্র বংশের প্রদ্বীপ ছিল শুভ্রেন্দু। অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা । এলাকায় ভালো ছেলে হিসাবে নাম ডাক এই কিশোরের । অস্বাভাবিক মৃত্যুর পিছনে রয়েছে কি কারোর হাত । দাবি আত্মীয় পরিজনদের । ঘটনায় পূর্নাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন পরিবার পরিজন থেকে এলাকার বাসিন্দারা । ঘরের মধ্যো সাঁঝের বেলায় কি কিশোর একা ছিলেন । সেই সুযোগে কি আঁততায়িরা মেরেছে । না কি নিছক দুর্ঘটায় অকালে মৃত্যু এই কিশোরের । উঠছে প্রশ্ন । কিভাবে অলিগলির লোক বসতির মধ্যো এই ঘটনা ঘটল । ঘটনার পর মৃতদেহ টি ময়না তদ্তে পাঠানো হয়েছে । তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ । শুভেন্দুর মৃত্যুতে দোষিদের শাস্তির অপেক্ষায় বসেছে পরিবার পরিজনরা।

No comments:
Post a Comment