এবারে জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদটি জেনারেল হয়।ফলে তৃতীয়বার এই পদে বসে হাট্রিক করলেন সামিমা সেখ।এদিন জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদে সামিমা সেখ নির্বাচিত হয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন এই জয় মা মাটি মানুষের জয়।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্দশকে সামনে রেখে সকলে নিয়ে জেলা জুড়ে আরও উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হবে।ভাঙরে ২৮ হাজার কৃষকে দিয়ে সবজী চাষ করানো হচ্ছে।সেই সবজী বিদেশে যাচ্ছে।ফলে কৃষকরা আর্থিক দিক দিয়ে লাভবান হচ্ছে।এই জেলা কৃষি প্রধান জেলা।তাই কৃষি ও সেচের আরও বেশী করে উন্নয়ন করতে হবে।তিনি আরও বলেন এই জেলার মধ্যে ১৩ টি ব্লক সুন্দরবনের মধ্যে পড়ে।ফলে সুন্দরীনির মাধ্যমে মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলা হচ্ছে।ক্যানিং-১ ব্লকের মাতলা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ক্যানিং মাতলা নদীর পাড়ে কেরলের মডেলে নারকেল গাছের চারা রোপন করা হচ্ছে ১০০ দিনের কাজে মাধ্যমে।এই মডেল কার্যকর হলে তা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।যেহেতু নারকেল একটি অর্থকারী ফসল।আর এই কাজ যারা করছে সেই সমস্ত বেনিফিসারিদের বৃক্ষ পাট্রা দেওয়া হবে।ফলে গড়ে উঠবে কর্ম সংস্থান।ক্যানিং মাতলা নদীর সৌন্দর্য বাড়বে এবং সুন্দরবন পযটকদের আর্কষন বাড়বে।পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং ভূমিক্ষয় রোধে কাজ হবে।এদিন তৃণমূলের সমর্থক ও কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতন।জেলা জুড়ে সবুজ আবিরে রাঙা হয়ে উঠেছে।
এবারে জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদটি জেনারেল হয়।ফলে তৃতীয়বার এই পদে বসে হাট্রিক করলেন সামিমা সেখ।এদিন জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদে সামিমা সেখ নির্বাচিত হয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন এই জয় মা মাটি মানুষের জয়।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্দশকে সামনে রেখে সকলে নিয়ে জেলা জুড়ে আরও উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হবে।ভাঙরে ২৮ হাজার কৃষকে দিয়ে সবজী চাষ করানো হচ্ছে।সেই সবজী বিদেশে যাচ্ছে।ফলে কৃষকরা আর্থিক দিক দিয়ে লাভবান হচ্ছে।এই জেলা কৃষি প্রধান জেলা।তাই কৃষি ও সেচের আরও বেশী করে উন্নয়ন করতে হবে।তিনি আরও বলেন এই জেলার মধ্যে ১৩ টি ব্লক সুন্দরবনের মধ্যে পড়ে।ফলে সুন্দরীনির মাধ্যমে মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলা হচ্ছে।ক্যানিং-১ ব্লকের মাতলা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ক্যানিং মাতলা নদীর পাড়ে কেরলের মডেলে নারকেল গাছের চারা রোপন করা হচ্ছে ১০০ দিনের কাজে মাধ্যমে।এই মডেল কার্যকর হলে তা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।যেহেতু নারকেল একটি অর্থকারী ফসল।আর এই কাজ যারা করছে সেই সমস্ত বেনিফিসারিদের বৃক্ষ পাট্রা দেওয়া হবে।ফলে গড়ে উঠবে কর্ম সংস্থান।ক্যানিং মাতলা নদীর সৌন্দর্য বাড়বে এবং সুন্দরবন পযটকদের আর্কষন বাড়বে।পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং ভূমিক্ষয় রোধে কাজ হবে।এদিন তৃণমূলের সমর্থক ও কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতন।জেলা জুড়ে সবুজ আবিরে রাঙা হয়ে উঠেছে।

No comments:
Post a Comment