শিক্ষ্যা প্রতিষ্ঠান তথা হুগলি মাদ্রাসা বন্ধ হলে তৃণমূল পার্টিরও মৃত্যু হবে।
বুধবার হুগলি মাদ্রাসা খোলার দাবীতে ফুরফুরা দরবার শরীফের পীরযাদা আব্বাস সিদ্দিকী
আল কোরায়েসি একটি সাংবাদিক বৈঠকে এক কথা বলেন। এদিন আব্বাস সিদ্দিকী বলেন, আমরা
তৃণমূল সরকারের বিরোধী নই। তৃণমূল দল তাদের পার্টি বাঁচাতে চাইলে মাদ্রাসা খুলে
দিক। মাদ্রাসা না খুললে হয় আমার মৃত্যু
ঘটবে। না হয় তৃণমূল দলের মৃত্যু ঘটবে।
এদিন পীরযাদা বলেন, হুগলি মাদ্রাসার বয়স প্রায় ২০২বছর। এখান থেকে অনেক ব্যক্তি
পড়াশনা করে দেশে ও বিদেশে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বর্তমানে শাষক দলের কিছু নেতা
চক্রান্ত করে এই মাদ্রসা বন্ধ করতে চাইছেন। মাদ্রাসা বন্ধ করতে পাড়লেই জমি হাঙররা
এটাকে গ্রাস করবে। তৃণমূল দলের ভালো চাইলে মাদ্রাসা খুলে দিন। এদিন আব্বাস
সিদ্দিকী বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ আছেন যারা সরকারের তোষামদ করতে গিয়ে
সত্যের মৃত্যু ঘটাচ্ছেন। এটা আমরা হতে দেবনা। আমাদের এই আন্দোলন সরকার বিরোধী নয়।
এটা মৌলিক অধিকারের জন্যে আন্দোলন।
এদিন আব্বাস সিদ্দিকী বলেন, হুগলি মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় বিভিন্ন সমস্যার মুখে
পড়ছেন এখানকার পড়ুয়ারা। চাকুরী সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এডুকেশন ভেরিফিকেশন সহ একাধিক
সমস্যায় রয়েছেন এখানকার পড়ুয়ারা। শিক্ষ্যা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া মানেই তার
মৃত্যু ঘটে। এটা আমরা কিছুতেই মানব না। সম্প্রতি, রাজ্য সরকারের তরফে ঢাক ঢোল
পিটিয়ে এই বন্ধ মাদ্রাসা খুলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রচার করা হয়েছে। আসলে গোটা
বিষয়টাই লোক দেখান। মুষলিমদের আন্দোলন দমন করতে মাদ্রাসা খোলাটা একটা টোপ হিসেবে
ব্যাবহার করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি। আদতে মাদ্রাসায় তালা মেরে রাখা
হয়েছে।
এদিন হুগলি মাদ্রাসা খোলা সহ বেশ কয়েক দফা দাবীতে ফুরফুরা শরীফ আহলে সুন্নাতুল
জামাত এ্যাসোসিয়েশনের তরফে চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে একটি অবস্থান বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক
দেওয়া হয়। সেখানে প্রায় হাজার খানেক মানুষ অংশ গ্রহন করেন। বিক্ষোভ সমাবেশের পর
তারা জেলা শাসকে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

No comments:
Post a Comment