মা হবার স্বপ্ন সব মেয়েরাই কম বেশি লালন করে। তবে মা হবার বাসনা এমন পর্যায়ে যাওয়া উচিৎ নয় যখন একজন নারী গর্ভবতী না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে গর্ভবতী ভাবা শুরু করে এবং সেই অনুযায়ী তার শরীরও গর্ভবতীর বিভিন্ন উপসর্গ দেখাতে শুরু করে। তখন সেটাকে মানসিক রোগ হিসাবেই ধরতে হয়।
হ্যা এরকমই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। ব্রাজিলের এক মহিলা বাচ্চার হওয়ার স্বপ্নে এত বিভোর ছিলেন অবাক করা ঘটনার জন্ম দেন তিনি।
ব্রাজিলের ৩৭বছরের মহিলা নাম প্রকাশ করেননি তিনি ৪১ সপ্তাহ ধরে গর্ভবতী অবস্থায় রয়েছেন হঠাৎ তার তীব্র ব্যথা উঠলে তাকে দ্রত হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বামী।
হাসপাতালের মুখপাত্র সিমোন কারভালহো বলেন তারা দ্রত মহিলাটিকে পরীক্ষা করে দেখেন বাচ্চাটির কোন হৃদস্পন্দন পাওয়া যাচ্ছে না, তারা মনে করেছেন বাচ্চাটির জীবন বিপদের আশংকা রয়েছে সেজন্য তারা দ্রত সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা বের করার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সিজার করার পর ডাক্তারদের চক্ষু চড়কগাছ মহিলাটির পাকস্থলিতে কোন বাচ্চা ছিলো না। পরে ডাক্তাররা বুঝতে পারেন মামলাটি আর কিছুই নয় মিথ্যা গর্ভধারন ।
মহিলাটির দ্বিতীয় স্বামী বলেন এর আগেও তার স্ত্রী নাকি একবার গর্ভবতী হয়েছিলেন। তবে মহিলা নাকি সেক্ষেত্রে একটি মৃত বাচ্চা প্রসব করেছিলেন, তবে স্বামীকে আজও পর্যন্ত সেই নারী মৃত সন্তানের ডেথ সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি।
ডাক্তাররা বলছেন এটি একটি মানসিক রোগ। রোগটিতে মহিলারা মনে করেন তিনি একজন গর্ভবতী এবং সব রকমের উপসর্গ দেখা যায় যা কিনা একজন গর্ভবতী মহিলার মধ্য থাকে।
পরে ডাক্তাররা মহিলাটিকে মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে বলেন।
হ্যা এরকমই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। ব্রাজিলের এক মহিলা বাচ্চার হওয়ার স্বপ্নে এত বিভোর ছিলেন অবাক করা ঘটনার জন্ম দেন তিনি।
ব্রাজিলের ৩৭বছরের মহিলা নাম প্রকাশ করেননি তিনি ৪১ সপ্তাহ ধরে গর্ভবতী অবস্থায় রয়েছেন হঠাৎ তার তীব্র ব্যথা উঠলে তাকে দ্রত হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বামী।
হাসপাতালের মুখপাত্র সিমোন কারভালহো বলেন তারা দ্রত মহিলাটিকে পরীক্ষা করে দেখেন বাচ্চাটির কোন হৃদস্পন্দন পাওয়া যাচ্ছে না, তারা মনে করেছেন বাচ্চাটির জীবন বিপদের আশংকা রয়েছে সেজন্য তারা দ্রত সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা বের করার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সিজার করার পর ডাক্তারদের চক্ষু চড়কগাছ মহিলাটির পাকস্থলিতে কোন বাচ্চা ছিলো না। পরে ডাক্তাররা বুঝতে পারেন মামলাটি আর কিছুই নয় মিথ্যা গর্ভধারন ।
মহিলাটির দ্বিতীয় স্বামী বলেন এর আগেও তার স্ত্রী নাকি একবার গর্ভবতী হয়েছিলেন। তবে মহিলা নাকি সেক্ষেত্রে একটি মৃত বাচ্চা প্রসব করেছিলেন, তবে স্বামীকে আজও পর্যন্ত সেই নারী মৃত সন্তানের ডেথ সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি।
ডাক্তাররা বলছেন এটি একটি মানসিক রোগ। রোগটিতে মহিলারা মনে করেন তিনি একজন গর্ভবতী এবং সব রকমের উপসর্গ দেখা যায় যা কিনা একজন গর্ভবতী মহিলার মধ্য থাকে।
পরে ডাক্তাররা মহিলাটিকে মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যেতে বলেন।
No comments:
Post a Comment