লসঅ্যাঞ্জেলেস, ০৮ এপ্রিল- মৃত ব্যক্তির চেতনা ফিরে পাওয়ার ঘটনা অকল্পনীয়। কিন্তু এমন ঘটনাই শোনা গেল এবার। ৮০ বছর বয়সী মারিয়া ডি জেসাস আরোয়োকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করার পর তার লাশ রাখা হয়েছিল একটি হাসপাতালের মর্গের হিমঘরে।
অবিশ্বাস্যভাবে হিমঘরে নড়েচড়ে উঠেছিলেন মারিয়া। অনেক চেষ্টা করে ব্যাগের চেইন অর্ধেকটা খুলেও ফেলেছিলেন তিনি। চেষ্টা করেছেন ব্যাগ থেকে বের হওয়ার।
তাকে যে অবস্থায় রাখা হয়েছিল সে অবস্থায় পাওয়া যায়নি। তার শরীরটা পুরোপুরি ঘুরিয়ে মাথাটাকে পায়ের দিকে এনেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য মর্গে বেঁচে উঠেও ফ্রিজার থেকে বের হতে পারেননি তিনি। তার মুখে বেশ কয়েকটি ক্ষতচিহ্নও পাওয়া গেছে।
এতে প্রমাণ করে, তিনি বাঁচার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের হোয়াইট মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টারের শবাগারে রাখা হয়েছিল মারিয়ার দেহ।
প্রথমে চিকিৎসকরা ভেবেছিলেন, মারিয়া হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কিন্তু মর্গে মারিয়ার করুণ মৃত্যুর পর তারা ভুল বুঝতে পেরেছিলেন। তারা বুঝলেন, জীবিত অবস্থায়ই মারিয়াকে ব্যাগে ভরা হয়েছিল। কিন্তু ভুলের কথা স্বীকার করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসকরা জানান, মর্গে রাখার পর ভীষণ ঠাণ্ডায় চেতনা ফিরে পেয়েছিলেন মারিয়া। মৃত ঘোষণার পর তিনি বেঁচে ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালে। কিন্তু সে ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু ছাড় দেননি মারিয়ার পরিবার। হোয়াইট মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টার নামে হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়া হয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেদের দায় এড়িয়ে নির্দোষ দাবি করছেন।
অবিশ্বাস্যভাবে হিমঘরে নড়েচড়ে উঠেছিলেন মারিয়া। অনেক চেষ্টা করে ব্যাগের চেইন অর্ধেকটা খুলেও ফেলেছিলেন তিনি। চেষ্টা করেছেন ব্যাগ থেকে বের হওয়ার।
তাকে যে অবস্থায় রাখা হয়েছিল সে অবস্থায় পাওয়া যায়নি। তার শরীরটা পুরোপুরি ঘুরিয়ে মাথাটাকে পায়ের দিকে এনেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য মর্গে বেঁচে উঠেও ফ্রিজার থেকে বের হতে পারেননি তিনি। তার মুখে বেশ কয়েকটি ক্ষতচিহ্নও পাওয়া গেছে।
এতে প্রমাণ করে, তিনি বাঁচার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের হোয়াইট মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টারের শবাগারে রাখা হয়েছিল মারিয়ার দেহ।
প্রথমে চিকিৎসকরা ভেবেছিলেন, মারিয়া হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কিন্তু মর্গে মারিয়ার করুণ মৃত্যুর পর তারা ভুল বুঝতে পেরেছিলেন। তারা বুঝলেন, জীবিত অবস্থায়ই মারিয়াকে ব্যাগে ভরা হয়েছিল। কিন্তু ভুলের কথা স্বীকার করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসকরা জানান, মর্গে রাখার পর ভীষণ ঠাণ্ডায় চেতনা ফিরে পেয়েছিলেন মারিয়া। মৃত ঘোষণার পর তিনি বেঁচে ছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালে। কিন্তু সে ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু ছাড় দেননি মারিয়ার পরিবার। হোয়াইট মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টার নামে হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়া হয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেদের দায় এড়িয়ে নির্দোষ দাবি করছেন।
No comments:
Post a Comment