টেক্সাস, ১০ এপ্রিল- একেবারে ডাকাবুকো ছেলে। টিনএজার কিশোর বয়স সবে ১৮ ছুঁয়েছে। কিন্তু হাইস্কুলের মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের কথা কবুল করতে একটুও বুক কাঁপল না তার। এতে অন্যায়েরও কিছু দেখছে না টেক্সাসের হাইস্কুল ছাত্রটি। তার স্পষ্ট কথা, মূহূর্তের উত্তেজনার বশে যা করেছি, তাতে ভুল তো কিছু নেই! শেষ বিচারে আমি এখন ১৮, প্রাপ্তবয়স্ক। নিজের ভালমন্দ বুঝেই সিদ্ধান্ত নিই। একটি স্থানীয় টিভি চ্যানেলকে একথা বলেছে সে।।
ছেলেটি যৌন সম্পর্ক গড়েছে যে মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে, ৩২ বছর বয়সি সেই এলেন ওয়ার্মেলিংকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে অ্যালডাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্ট। বয়সে তাঁর চেয়ে ছোট ছাত্রের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগের মামলায় তিনি আদালতেও হাজিরা দিয়েছেন। ১০ হাজার ডলারের বন্ডের বিনিময়ে ছাড়া পেয়েছেন তিনি।
ছাত্রটি তার ফুটবল কোচকেই প্রথম জানায়, মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তার এবং তারা ঘনঘন ডেটিং করছে। তার দাবি, সে ইনস্টাগ্রামে কাউন্সিলরকে মেসেজ পাঠিয়েছিল। একঘেয়ে লাগছে তার, কিছু করার নেই, সেটাই তাঁকে মেসেজে জানিয়েছিল সে। কোচ স্কুলের প্রিন্সিপালকে ঘটনাটি জানান তিনি পুলিশকে খবর দেন।
তদন্তকারীদের ছেলেটি জানায়, তাকে ওয়ার্মেলিং ২৮ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতে নিয়ে যান সেখানে তারা একসঙ্গে একটি মুভি দেখে। আর তারপরই তারা সঙ্গমে লিপ্ত হয়। এরপর আবার ৬ ও ৮ মার্চে তারা যৌনকর্মে লিপ্ত হয় সেখানেই।
ওয়ার্মেলিং অবশ্য যৌন সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন, কোনওদিনই তিনি ইনস্টাগ্রামে ওই ছেলেটির সঙ্গে মেসেজ লেনদেন করেননি। ছেলেটির বক্তব্য জানাজানি হওয়ার পর ওয়ার্মেলিংয়ের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তদন্তকারীদের দাবি, তাঁরা দুজনের মেসেজ আদানপ্রদানের প্রমাণ পেয়েছেন। মে মাসে আবার আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ওয়ার্মেলিংয়ের।
ছেলেটি যৌন সম্পর্ক গড়েছে যে মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে, ৩২ বছর বয়সি সেই এলেন ওয়ার্মেলিংকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে অ্যালডাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্ট। বয়সে তাঁর চেয়ে ছোট ছাত্রের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগের মামলায় তিনি আদালতেও হাজিরা দিয়েছেন। ১০ হাজার ডলারের বন্ডের বিনিময়ে ছাড়া পেয়েছেন তিনি।
ছাত্রটি তার ফুটবল কোচকেই প্রথম জানায়, মহিলা কাউন্সিলরের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তার এবং তারা ঘনঘন ডেটিং করছে। তার দাবি, সে ইনস্টাগ্রামে কাউন্সিলরকে মেসেজ পাঠিয়েছিল। একঘেয়ে লাগছে তার, কিছু করার নেই, সেটাই তাঁকে মেসেজে জানিয়েছিল সে। কোচ স্কুলের প্রিন্সিপালকে ঘটনাটি জানান তিনি পুলিশকে খবর দেন।
তদন্তকারীদের ছেলেটি জানায়, তাকে ওয়ার্মেলিং ২৮ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতে নিয়ে যান সেখানে তারা একসঙ্গে একটি মুভি দেখে। আর তারপরই তারা সঙ্গমে লিপ্ত হয়। এরপর আবার ৬ ও ৮ মার্চে তারা যৌনকর্মে লিপ্ত হয় সেখানেই।
ওয়ার্মেলিং অবশ্য যৌন সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন, কোনওদিনই তিনি ইনস্টাগ্রামে ওই ছেলেটির সঙ্গে মেসেজ লেনদেন করেননি। ছেলেটির বক্তব্য জানাজানি হওয়ার পর ওয়ার্মেলিংয়ের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তদন্তকারীদের দাবি, তাঁরা দুজনের মেসেজ আদানপ্রদানের প্রমাণ পেয়েছেন। মে মাসে আবার আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ওয়ার্মেলিংয়ের।
No comments:
Post a Comment