তাজমহল কে গড়েছিলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে ‘মোগল সম্রাট শাহজাহান’ লিখলেই ফুল মার্কস পাওয়া যায়। কিন্তু সেই হিসাবকে একটু ওলটপালট করে দিয়েছে চীন। এই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এক শহরে পার্কে দর্শক টানতে গড়া হয়েছে তাজমহল। আকারে তা আগ্রার তাজমহলের চেয়ে অনেক ছোট। কিন্তু তাতে কী! পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য হিসাবে বিশ্বখ্যাত এই স্থাপত্যকে তারা জায়গা করে দিয়েছে যে এলাকায়, সেখানে আছে পৃথিবীর আরও বেশ কিছু স্থাপত্য বা ঐতিহ্য।
অথচ সেই তালিকায় ঠাঁই পায়নি পাকিস্তান, বাংলাদেশ বা ভুটানের কোনও স্থাপত্য বা শৈলী। তবে ভারতকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে শুধু তাজমহল নয়, গড়া হয়েছে আরও বেশ কিছু স্থাপত্য। আছে গুজরাতের সূর্যমন্দির বা মহারাষ্ট্রের বৌদ্ধ স্তূপ। আছে মস্ত বড় অশোকস্তম্ভের মূর্তি ছাড়াও কয়েকটি স্থাপত্য।
হংকং থেকে দক্ষিণ চীন সাগর পেরলে, চীনের মূল ভূখণ্ডে রয়েছে ‘যুবক’ শহর সেনঝ্যাং। যুবক, কারণ তার বয়স মাত্র ৩৭ বছর। মূলত বাণিজ্যনগরী। প্রযুক্তিগত কারিগরিতে যে চীন এত উন্নত, তার পীঠস্থান বলা যেতে পারে এই শহরকে। বিশ্বের বহু নামজাদা সংস্থার প্রযুক্তিগত কাজকর্ম বা গবেষণা হয় এখানে। তৈরি হয় হার্ডওয়্যার।
সেই কারণেই এখানে বিদেশি লোকজনের যাতায়াত বেশি। পযর্টকও আসেন প্রচুর সংখ্যায়। সেই শহরেই পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য একটি পার্ক গড়া হয়েছে নয়ের দশকে। নাম দেওয়া হয়েছে উইনডো অব ওয়ার্ল্ড। বিশ্বের জানালা। ১৮ একর জায়গাজুড়ে গড়া সেই পার্কে আছে পৃথিবীর নানা দেশের নানা ভাস্কর্য।
সেই তালিকায় যেমন আছে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, তেমনই আছে চীনের প্রাচীর, ইতালির হেলানো গির্জা বা লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ। এর পাশাপাশি আছে অ্যামাজনের জঙ্গল, মিশরের মরুভূমি বা নায়াগ্রার জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক বিস্ময়ও।
বিশ্বের প্রায় ১৩০টি এমন ভাস্কর্য বা প্রকৃতিক সৌন্দর্য বা ইতিহাসকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে এখানে। মহাদেশ ধরে ধরে আলাদা আলাদা করে গড়া হয়েছে নানা স্থাপত্য। সেখানে এশিয়া মহাদেশের আওতায় রয়েছে থাইল্যান্ডের গ্র্যান্ড প্যালেস, জাপানের শিরাসাগি ক্যাসেল, ইন্দোনেশিয়ার বরবুদুর বা কম্বোডিয়ার আঙ্করভাটের বিষ্ণু মন্দির। সেখানেই জায়গা পেয়েছে এ দেশের তাজমহল।
পাশাপাশি রয়েছে গুজরাতের মধেরার সূর্য মন্দির, মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোর মন্দির বা মহারাষ্ট্রের বৌদ্ধ স্তূপ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সেই তালিকায় ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের কোনও স্থাপত্যের। জায়গা হয়নি বাংলাদেশেরও। নেই ভুটানও। শ্রীলংকা, মায়ানমার বা নেপালের একটি বা দু’টি করে স্থাপত্য ঠাঁই পেয়েছে উইনডো অব ওয়ার্ল্ডে।
চীনের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক কতটা অম্লমধুর, তা নিয়ে তর্ক চলতেই পারে। কিন্তু চীনেরই একটি নামজাদা বিশালাকার পার্কে সেদেশের দর্শকের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক টানতে স্থাপত্য গড়ায় যেভাবে ভারতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো।
অথচ সেই তালিকায় ঠাঁই পায়নি পাকিস্তান, বাংলাদেশ বা ভুটানের কোনও স্থাপত্য বা শৈলী। তবে ভারতকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে শুধু তাজমহল নয়, গড়া হয়েছে আরও বেশ কিছু স্থাপত্য। আছে গুজরাতের সূর্যমন্দির বা মহারাষ্ট্রের বৌদ্ধ স্তূপ। আছে মস্ত বড় অশোকস্তম্ভের মূর্তি ছাড়াও কয়েকটি স্থাপত্য।
হংকং থেকে দক্ষিণ চীন সাগর পেরলে, চীনের মূল ভূখণ্ডে রয়েছে ‘যুবক’ শহর সেনঝ্যাং। যুবক, কারণ তার বয়স মাত্র ৩৭ বছর। মূলত বাণিজ্যনগরী। প্রযুক্তিগত কারিগরিতে যে চীন এত উন্নত, তার পীঠস্থান বলা যেতে পারে এই শহরকে। বিশ্বের বহু নামজাদা সংস্থার প্রযুক্তিগত কাজকর্ম বা গবেষণা হয় এখানে। তৈরি হয় হার্ডওয়্যার।
সেই কারণেই এখানে বিদেশি লোকজনের যাতায়াত বেশি। পযর্টকও আসেন প্রচুর সংখ্যায়। সেই শহরেই পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য একটি পার্ক গড়া হয়েছে নয়ের দশকে। নাম দেওয়া হয়েছে উইনডো অব ওয়ার্ল্ড। বিশ্বের জানালা। ১৮ একর জায়গাজুড়ে গড়া সেই পার্কে আছে পৃথিবীর নানা দেশের নানা ভাস্কর্য।
সেই তালিকায় যেমন আছে প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, তেমনই আছে চীনের প্রাচীর, ইতালির হেলানো গির্জা বা লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ। এর পাশাপাশি আছে অ্যামাজনের জঙ্গল, মিশরের মরুভূমি বা নায়াগ্রার জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক বিস্ময়ও।
বিশ্বের প্রায় ১৩০টি এমন ভাস্কর্য বা প্রকৃতিক সৌন্দর্য বা ইতিহাসকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে এখানে। মহাদেশ ধরে ধরে আলাদা আলাদা করে গড়া হয়েছে নানা স্থাপত্য। সেখানে এশিয়া মহাদেশের আওতায় রয়েছে থাইল্যান্ডের গ্র্যান্ড প্যালেস, জাপানের শিরাসাগি ক্যাসেল, ইন্দোনেশিয়ার বরবুদুর বা কম্বোডিয়ার আঙ্করভাটের বিষ্ণু মন্দির। সেখানেই জায়গা পেয়েছে এ দেশের তাজমহল।
পাশাপাশি রয়েছে গুজরাতের মধেরার সূর্য মন্দির, মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোর মন্দির বা মহারাষ্ট্রের বৌদ্ধ স্তূপ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সেই তালিকায় ঠাঁই হয়নি পাকিস্তানের কোনও স্থাপত্যের। জায়গা হয়নি বাংলাদেশেরও। নেই ভুটানও। শ্রীলংকা, মায়ানমার বা নেপালের একটি বা দু’টি করে স্থাপত্য ঠাঁই পেয়েছে উইনডো অব ওয়ার্ল্ডে।
চীনের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক কতটা অম্লমধুর, তা নিয়ে তর্ক চলতেই পারে। কিন্তু চীনেরই একটি নামজাদা বিশালাকার পার্কে সেদেশের দর্শকের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক টানতে স্থাপত্য গড়ায় যেভাবে ভারতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তা বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো।
No comments:
Post a Comment