বেইজিং, ২১ ফেব্রুয়ারী- বাঘের দুর্দশা দেখে প্রাণ উৎসর্গ করতে বাঘের খাঁচায় ঢুকলেন এক চীনা যুবক। তাও আবার সাদা রয়েল বেঙ্গল টাইগার। দুটি বাঘের আক্রমণে তার দেহ ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেলেও কপালজোরে বেঁচে গেলেন যুবকটি।
রোববার সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু চিড়িয়াখানায় যখন বাঘের খাঁচার সামনে দর্শকদের ভিড় ঠিক তখনই ইয়াং জিনহাই নামে ২৭ বছর বয়সী যুবক আচমকা খাঁচার পাঁচিল বেয়ে বাঘের কাছে চলে যান।
যুবকটি ভেতরে ঢুকে চিৎকার করে বাঘ দুটির দৃষ্টি আকর্ষণ করা মাত্র পুরুষ বাঘটি তাকে আক্রমণ করে। দর্শকদের চিৎকারে চিড়িয়াখানার কর্মীরা ছুটে এসে ঘুমপাড়ানি গুলি করে বাঘের মুখ থেকে যুবকটিকে উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ইয়াং মানসিক রোগে ভুগছিলেন। এর আগে তিনি অনলাইনে লিখেছিলেন, খাঁচায় বন্দি বাঘের দুর্দশা দেখে তিনি ব্যথিত। সে কারণেই ইয়াং নাকি নিজেকে বাঘদের কাছে উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন।
চিড়িয়াখানার কর্মীরা জানান, সাদা বাঘ শান্ত প্রকৃতির। সৌভাগ্যক্রমে বাঘ দুটির পেট ভর্তি ছিল। তা না হলে যুবকটিকে ততক্ষণে কামড়িয়ে ছিঁড়ে ফেলতো।
ইয়াংয়ের স্বজনরা জানান, বেশ কয়েকটি চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করে ইয়াং দীর্ঘদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন। এ কারণেই হয়তো ইয়াং নিজের জীবন বাঘদের কাছে উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন।
রোববার সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু চিড়িয়াখানায় যখন বাঘের খাঁচার সামনে দর্শকদের ভিড় ঠিক তখনই ইয়াং জিনহাই নামে ২৭ বছর বয়সী যুবক আচমকা খাঁচার পাঁচিল বেয়ে বাঘের কাছে চলে যান।
যুবকটি ভেতরে ঢুকে চিৎকার করে বাঘ দুটির দৃষ্টি আকর্ষণ করা মাত্র পুরুষ বাঘটি তাকে আক্রমণ করে। দর্শকদের চিৎকারে চিড়িয়াখানার কর্মীরা ছুটে এসে ঘুমপাড়ানি গুলি করে বাঘের মুখ থেকে যুবকটিকে উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ইয়াং মানসিক রোগে ভুগছিলেন। এর আগে তিনি অনলাইনে লিখেছিলেন, খাঁচায় বন্দি বাঘের দুর্দশা দেখে তিনি ব্যথিত। সে কারণেই ইয়াং নাকি নিজেকে বাঘদের কাছে উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন।
চিড়িয়াখানার কর্মীরা জানান, সাদা বাঘ শান্ত প্রকৃতির। সৌভাগ্যক্রমে বাঘ দুটির পেট ভর্তি ছিল। তা না হলে যুবকটিকে ততক্ষণে কামড়িয়ে ছিঁড়ে ফেলতো।
ইয়াংয়ের স্বজনরা জানান, বেশ কয়েকটি চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করে ইয়াং দীর্ঘদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন। এ কারণেই হয়তো ইয়াং নিজের জীবন বাঘদের কাছে উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন।
No comments:
Post a Comment