ছাত্রকে চুমু: জেলে শিক্ষিকা - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 3 September 2018

ছাত্রকে চুমু: জেলে শিক্ষিকা

ছাত্রকে চুমুর দেয়ার অপরাধে জেলে গেলেন শিক্ষিকা
সিঙ্গাপুর, ২১ ফেব্রুয়ারী- শিক্ষিকার কা- (!) ছাত্রের ঠোঁটে চুমু দিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন। ৪২ বছর বয়সী ওই শিক্ষিকা তারই স্কুলের ১৩ বছর বয়সী ছাত্রের সঙ্গে এ আচরণ করেন।
ওই শিক্ষিকা ছাত্রটির ঠোঁটে চুমু এবং তার কাঁধে ও ঘাড়ে ‘লাভ বাইট’ বা প্রেমের দংশন এঁকে দিয়েছেন। এ অপরাধে সিঙ্গাপুরের একটি আদালত ওই শিক্ষিকাকে ৬ মাসের কারাদ- দিয়েছেন।
আলোচিত শিক্ষিকা ১১ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। তিনি চার সন্তানের জননী। তার বিরুদ্ধে শিশু ও অল্প বয়সীদের ওপর যৌন নিপীড়নের আরো দু’দুটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
সিঙ্গাপুরের ‘চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়াং পারসন্স অ্যাক্ট’-এর আওতায় শিক্ষিকার বিচার করা হয়েছে।
আদালতের নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা কিশোরের ঠোঁটে চুমু  এবং তার কাঁধে ও ঘাড়ে ‘লাভ বাইট’ বা প্রেমের দংশন এঁকে দেন। এ ঘটনা ২০১২ সালের। তবে অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম পরিচয় প্রকাশ করেনি আদালত।
এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৩ বছর বয়সী ছাত্রটি শিক্ষিকার ছেলের সঙ্গে একসঙ্গে ফুটবল খেলতো। এরই সুবাধে ছেলেটির সঙ্গে প্রথমে ফেসবুক চ্যাটের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলেন দ-প্রাপ্ত শিক্ষিকা।
এরপর পাবলিক পার্কে গিয়ে তার সঙ্গে এসব আচরণ করেন তিনি। আদরের উছিলায় কিশোরটি শরীরে যৌন কামনার চিহ্ন এঁটে দেন। চুম্বনের সঙ্গে দাঁতের কামড় বসান কিশোরটির ঘাড়ে।
সেখান থেকে কিশোরটি বাড়ি ফিরে এলে, তার ঘাড়ে ‘লাভ বাইট’ দেখে তার মা এ বিষয়ে জানতে চান। কিশোরটি তার মাকে বিষয়টি খুলে বললে তার মা পুলিশের শরণাপন্ন হন।
আদালতের বিচারক ‘নং পেং হং’ রায়ে লিখেছেন, ‘১৩ বছর বয়সী ছেলের ওপর এমন একজন মানুষ যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন, যিনি শিক্ষিকা। পাবলিক পার্কে বসে ছাত্রের গায়ে ‘লাভ বাইটস’ এবং তার ঠোঁটে চুমু দেয়ার সময় জিব ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষিকা অশ্লীল, যৌন আচরণ করেছেন’।
আদালতে শিক্ষিকার নিযুক্ত আইনজীবী জানান, তিনি মানসিক বিষন্নতায় ভুগছিলেন। তবে আইনজীবীর এমন কথা বিচারিক আদালত তেমন একটা আমলে নেননি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad