একটি লাড্ডু কত বড় হতে পারে? আর কজনেই বা খেতে পারে? একটি লাড্ডুর কতই বা দাম পড়তে পারে? এমন সব প্রশ্নকে অদ্ভুত আর অবান্তর মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু এসব প্রশ্নকে অদ্ভুত বা অবান্তর নয় বরং ইতিহাসের মর্যাদা দেয়ার অবস্থানে নিয়ে গেছে একটি লাড্ডু। এর ওজন ২৯ হাজার ৪৬৫ কেজি। খাওয়ার উপযোগী ৬ লাখ টুকরো করা যাবে এই একটি লাড্ডুকে। আর দাম ৭৫ হাজার ডলার। এরই মধ্যে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এই লাড্ডু জায়গা করে নিয়েছে।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে সেপ্টেম্বর মাসে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালিত হয়। বিগত কয়েক বছর ধরে এই উৎসবকে সামনে রেখে বিশাল আকৃতির দৈত্যাকার লাড্ডু বানিয়ে আসছে শ্রীভক্ত অঞ্জনেয়া সুরুচি ফুডস নামের স্থানীয় একটি মিষ্টির দোকান। এর মালিক পি মল্লিকহারজুনা রাও।
কিন্তু এসব প্রশ্নকে অদ্ভুত বা অবান্তর নয় বরং ইতিহাসের মর্যাদা দেয়ার অবস্থানে নিয়ে গেছে একটি লাড্ডু। এর ওজন ২৯ হাজার ৪৬৫ কেজি। খাওয়ার উপযোগী ৬ লাখ টুকরো করা যাবে এই একটি লাড্ডুকে। আর দাম ৭৫ হাজার ডলার। এরই মধ্যে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এই লাড্ডু জায়গা করে নিয়েছে।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে সেপ্টেম্বর মাসে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালিত হয়। বিগত কয়েক বছর ধরে এই উৎসবকে সামনে রেখে বিশাল আকৃতির দৈত্যাকার লাড্ডু বানিয়ে আসছে শ্রীভক্ত অঞ্জনেয়া সুরুচি ফুডস নামের স্থানীয় একটি মিষ্টির দোকান। এর মালিক পি মল্লিকহারজুনা রাও।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) ২৯ হাজার ৪৬৫ কেজি ওজনের লাড্ডু বানায় অঞ্জনেয়া সুরুচি ফুডস। এটি বানাতে ২০জন কারিগর কাজ করেছে।
গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বরে ৮ হাজার ৩৬৯ কেজি ওজনের এই লাড্ডু বানিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশের ওই দোকানটি। আর তাতে এতে খরচ পড়েছিল সাড়ে ১৬ লাখ রুপি। ১৫ জন কারিগর ১২ ঘণ্টা কাজ করে বিশালাকার ওই লাড্ডুটি বানিয়েছিলেন।
মিষ্টির দোকানটি ২০১১ সালে ৫ হাজার ৫৭০ কেজি, ২০১২ সালে ৬ হাজার ৫৯৯ কেজি, ২০১৩ সালে ৭ হাজার ১৩২ কেজি, ২০১৪ সালে ৭ হাজার ৮৫৮ কেজ এবং ২০১৫ সালে ৮ হাজার ৩৬৯ কেজি ওজনের লাড্ডু বানিয়ে রেকর্ড গড়েছিল। এবার বানিয়েছে ২৯ হাজার ৪৬৫ কেজি ওজনের লাড্ডু।
২০১০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি ৫০০ কেজি ওজনের লাড্ডু বানানোর মধ্য দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার উদ্দেশ্যে এমন দৈত্যাকার আকৃতির মিষ্টান্ন তৈরির সূচনা করে।
No comments:
Post a Comment