
নারী ও পুরুষের এক চূড়ান্ত আবেগঘন মুহূর্তের মিলন হিসাবেই ধরা হয় সঙ্গমকে। কিন্তু, এমন মুহূর্তে যদি ঘটে যায় চরম বিপদ তাহলে কী করা উচিত? সুইৎজারল্যান্ডের এমনই এক ঘটনা এখন বিশ্ব সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে গিয়েছে। বলতে গেলে এই খবর সকলেই চমকে দিয়েছে।
কী ঘটেছিল? নাম পরিচয় গোপন করা এক যুবতী, সম্প্রতি সুইৎজারল্যান্ডের লুসানের একটি আদালতে, তাঁর ফরাসী বয়ফ্রেন্ডের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। অভিযোগ, তাঁরা যখন যৌন মিলন করছিলেন তখন তাঁর বয়ফ্রেন্ড ‘প্রোটেকটেড সেক্স’-এর জন্য কোনও ব্যবস্থাই নেননি। অথচ, প্রথম থেকে বয়ফ্রেন্ড নাকি বুঝিয়েছিলেন তিনি কন্ডোম ব্যবহার করছেন এবং তাঁরা নিরাপদ যৌন মিলনই করছেন।
বয়ফ্রেন্ড যে কন্ডোম ব্যবহার করছেন না তা কখন জানতে পারলেন প্রেমিকা? লুসান আদালতে দেওয়া বয়ানে তিনি জানিয়েছেন, যৌন মিলনের শেষে তিনি আবিষ্কার করেন বয়ফ্রেন্ড কন্ডোম ব্যবহার করেননি। তাঁর দাবি, বয়ফ্রেন্ড আগেই সত্যতাটা স্বীকার করে নিলে তিনি যৌন মিলন করতেন না। এই ঘটনা ধর্ষণের সামিল বলেও আদালতে অভিযোগ করেন প্রেমিকা। এক জনের বিশ্বাসের সঙ্গে এভাবে প্রতারণা করা যায় না বলেও বয়ফ্রেন্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি।তবে, চমকে দিয়েছে বয়ফ্রেন্ডের বয়ান। কারণ, আদালতকে তিনি জানান, যৌন মিলনের চূড়ান্ত মুহূর্তে কন্ডোমটি বিশ্রিভাবে ফেটে যায়। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু, সেই চূড়ান্ত মুহূর্তে এই নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় ছিল না। ওই আবেগঘন মুহূর্তে তিনি গার্লফ্রেন্ডকেও এই নিয়ে কিছু জানাতে চাননি। তাই যৌন মিলনের শেষে তিনি গার্লফ্রেন্ডকে সব খুলে বলেন।
গার্লফ্রেন্ড অবশ্য প্রেমিকের কথায় মন ভেজাতে নারাজ। গোটা ঘটনায় বয়ফ্রেন্ডকেই দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বিশ্বাস ভঙ্গের জন্য এবং সত্য লুকিয়ে রাখার জন্য বয়ফ্রেন্ডকে ১২ মাসের জেলের সাজাও শোনায় আদালত। এমনভাবেও জেলে যেতে হয় তা ভেবেই নাকি এখন সমানে মাথার চুল ছিঁড়ছেন ওই ফরাসী বয়ফ্রেন্ড।
No comments:
Post a Comment