বুকের
ব্যাথা, ক্লান্তি এবং অবসাদ সহ হৃদরোগের বেশ
কিছু লক্ষণ এখন আমাদের প্রায় সকলেই জানি। কিন্তু এছাড়াও হৃদরোগের কিছু অপ্রত্যাশিত
লক্ষণ আছে যেগুলো সম্পর্কে আপনাকে সজাগ হতে হবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই
লক্ষণগুলো।
উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এমন একটি কন্ডিশন যাতে ধমনীগুলোর বিপরীতে রক্তের প্রবাহ খুবই উচ্চ হয়। যার ফলে নানা নেতিবাচক লক্ষণ দেখা দেয়। এখন অনেকেই জানেন যে উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের লক্ষণ। তবে এটি একটু ভিন্ন রকমও হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে পূর্ব থেকেই বিদ্যমান কোনো হৃদরোগের লক্ষণ!
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এমন একটি কন্ডিশন যাতে ধমনীগুলোর বিপরীতে রক্তের প্রবাহ খুবই উচ্চ হয়। যার ফলে নানা নেতিবাচক লক্ষণ দেখা দেয়। এখন অনেকেই জানেন যে উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের লক্ষণ। তবে এটি একটু ভিন্ন রকমও হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে পূর্ব থেকেই বিদ্যমান কোনো হৃদরোগের লক্ষণ!
অনবরত কফ
কাশি
কফ হলো ভাইরাল ফ্লু বা শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার লক্ষণ। ফলে লোকে কখনোই একে হৃদরোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে দেখেন না। তবে যখন হৃদপিণ্ড আপনার ফুসফুসে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করে না তখন ফুসফুস শুকিয়ে যেতে পারে এবং আপনার অনবরত কফের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সুতরাং এটিও হৃদরোগের একটি লক্ষণ।
কফ হলো ভাইরাল ফ্লু বা শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতার লক্ষণ। ফলে লোকে কখনোই একে হৃদরোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে দেখেন না। তবে যখন হৃদপিণ্ড আপনার ফুসফুসে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করে না তখন ফুসফুস শুকিয়ে যেতে পারে এবং আপনার অনবরত কফের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সুতরাং এটিও হৃদরোগের একটি লক্ষণ।
যৌন দুর্বলতা
হৃদপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়লে তা যৌনাঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করতে পারে না। যার ফলে যৌন দুর্বলতা সমস্যা দেখা দেয়।
হৃদপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়লে তা যৌনাঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করতে পারে না। যার ফলে যৌন দুর্বলতা সমস্যা দেখা দেয়।
শ্বাসকষ্ট
আপনার যদি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয় বা আপনার যদি বুকে কোনো কিছু জমাটবদ্ধতা বা আটকে পড়ার অনুভূতি হয় তাহলে তা যে সবসময়ই শ্বাসজনতি সমস্যা হবে তা নয়। বরং ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কমে গেলেও এমনটা হতে পারে। অর্থাৎ হৃদপিণ্ড আপনার ফুসফুসে পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে পারছে না। আর সে কারণেই এমন সব সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
আপনার যদি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয় বা আপনার যদি বুকে কোনো কিছু জমাটবদ্ধতা বা আটকে পড়ার অনুভূতি হয় তাহলে তা যে সবসময়ই শ্বাসজনতি সমস্যা হবে তা নয়। বরং ফুসফুসে রক্ত সরবরাহ কমে গেলেও এমনটা হতে পারে। অর্থাৎ হৃদপিণ্ড আপনার ফুসফুসে পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে পারছে না। আর সে কারণেই এমন সব সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
দেহে লোম কমে
যাওয়া
এই লক্ষণটির কথা শুনে হয়তো আপনি বিস্মিত হতে পারেন। দেহে কিছুটা পরিমাণে লোম থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখনই আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার দেহের লোমগুলো উধাও হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে পুরুষদের বেলায় যা হঠাৎ করেই ঘটে; তাহলে তা হতে পারে হৃদরোগের লক্ষণ।
এই লক্ষণটির কথা শুনে হয়তো আপনি বিস্মিত হতে পারেন। দেহে কিছুটা পরিমাণে লোম থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখনই আপনি দেখতে পাবেন যে আপনার দেহের লোমগুলো উধাও হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে পুরুষদের বেলায় যা হঠাৎ করেই ঘটে; তাহলে তা হতে পারে হৃদরোগের লক্ষণ।
পা ফোলা
ওজন বাড়া, গর্ভধারণ, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা কারণে পা এবং পায়ের পাতা ফোলার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি হতে পারে কোনো হৃদরোগের লক্ষণ। কেননা আপনার হৃদপিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত আপনার পায়ে পাম্প করে সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে শিরা-উপশিরাগুলো থেকে রক্তের বদলে অন্যান্য তরল পদার্থ অতিরিক্ত হারে পা এবং পায়ের পাতায় প্রবেশ করছে। এবং ফুলে উঠছে।
ওজন বাড়া, গর্ভধারণ, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা কারণে পা এবং পায়ের পাতা ফোলার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি হতে পারে কোনো হৃদরোগের লক্ষণ। কেননা আপনার হৃদপিণ্ড যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত আপনার পায়ে পাম্প করে সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে শিরা-উপশিরাগুলো থেকে রক্তের বদলে অন্যান্য তরল পদার্থ অতিরিক্ত হারে পা এবং পায়ের পাতায় প্রবেশ করছে। এবং ফুলে উঠছে।
ঘাড় ব্যথা
লোকে অনকে সময় ভাবতে পারে যে, ঘাড়ে ব্যথা হয় সাধারণত বেঠিক অঙ্গভঙ্গি, কাজের সময় ঘাড় মচকানো প্রভৃতি কারণে। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে ঘাড়ে ব্যথা হতে থাকে তাহলে তা হতে পারে ‘অ্যানজিনা’ নামের হৃদরোগের লক্ষণ। ঘাড়ে ব্যথা এই রোগের একটি লক্ষণ।
লোকে অনকে সময় ভাবতে পারে যে, ঘাড়ে ব্যথা হয় সাধারণত বেঠিক অঙ্গভঙ্গি, কাজের সময় ঘাড় মচকানো প্রভৃতি কারণে। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে ঘাড়ে ব্যথা হতে থাকে তাহলে তা হতে পারে ‘অ্যানজিনা’ নামের হৃদরোগের লক্ষণ। ঘাড়ে ব্যথা এই রোগের একটি লক্ষণ।
মাড়ি ফোলা
অনেকেই মনে করেন যে, মুখের স্বাস্থ্য খারাপ হলে বা ক্যাভিটিস এর কারণে মাড়ি ফোলা দেখা দেয়। তবে রক্ত সরবরাহ কমে গেলেও দাঁতের মাড়িতে প্রদাহ হতে পারে এবং তা থেকে মাড়ি ফুলে যেতে পারে। তার মানে মাড়ি ফোলা বিদ্যমান কোনো হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে।
অনেকেই মনে করেন যে, মুখের স্বাস্থ্য খারাপ হলে বা ক্যাভিটিস এর কারণে মাড়ি ফোলা দেখা দেয়। তবে রক্ত সরবরাহ কমে গেলেও দাঁতের মাড়িতে প্রদাহ হতে পারে এবং তা থেকে মাড়ি ফুলে যেতে পারে। তার মানে মাড়ি ফোলা বিদ্যমান কোনো হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে।
No comments:
Post a Comment