বয়লারের মাধ্যমে ডুলি চালানো হয়। আর এই ডুলির সাহায্যে খনিগর্ভে ওঠানামা করেন শ্রমিকরা। সাধারণত ECL-এর খনিগুলিতে দুটি বা তিনটি করে বয়লার থাকে। একটি খারাপ হলে চালানো হয় বিকল্প বয়লার। আজ মর্নিং শিফটে খনিতে নামেন শ্রমিকরা। দুপুর নাগাদ প্রথম বয়লারের বিপত্তি দেখা দেয়। প্রথমটি খারাপ হওয়ার পর বিকল্প বয়লার চালাতে গেলে সেটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে খনির নিচ থেকে ৩৮ জন শ্রমিক উপরে উঠতে পারছেন না।
এই পরিস্থিতিতে খনিতে ৩০০ ফুট নিচে আটকে থাকা কর্মীদের উপর থেকে জল, খাবার ও ওষুধ পাঠানো হচ্ছে দড়ি দিয়ে। সূত্রের খবর, খনির নীচে শ্রমিকরা অসুস্থ বোধ করছেন। তাই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বয়লার সারানোর কাজ চলছে। ECL সূত্রে খবর, দ্রুত বয়লার মেরামত করা হবে। তবে শ্রমিকদের একাংশের আশঙ্কা, বয়লার মেরামত হতে গভীর রাত হতে পারে। ততক্ষণ পর্যন্ত শ্রমিকদের খনিগর্ভে থাকা ছাড়া কোনও উপায় নেই। শ্রমিকদের সঙ্গে উপর থেকে কোলিয়ারির ইন্টারকমের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment