নানা-তনুশ্রীর বিতর্কে কেউ কেউ তনুশ্রীর পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন। অন্যদিকে নানা পাটেকারের হয়ে কথা না বললেও নিঃশব্দে তাকে সমর্থন করেছেন। যেমন ফারহা খান দু’দিন আগেই একটি ছবি পোস্ট করেছেন নানা পাটেকারের সঙ্গে। এতেই তিনি স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তিনি অভিনেতার বিরুদ্ধে নন
এসব কন্ট্রোভার্সির মধ্যে নাম উঠে এসেছে রাখি সাওয়ান্তেরও। ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির আইটেম গানে তনুশ্রীকে রিপ্লেস করেছিলেন রাখি।
সম্প্রতি তনুশ্রী সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমার রিপ্লেসমেন্ট রাখি সাওয়ান্ত। সব থেকে বড়ো অপমান। অন্তত আরও একটু ক্লাসি কাউকে আনতে পারতো। আমার জায়গায় রাখিকে আনার কোনও দরকার ছিল? আর এর থেকেও বড় বিষয় হল, আমি পরে শুনেছিলাম, সেটে এসে আমার সম্বন্ধে অজস্র খারাপ কথা বলেছে ও। রাখি বলেছিল, ‘তনুশ্রীর গায়ে কী হীরে-সোনা লাগানো আছে যে তাকে ছোঁয়া যাবে না?’ একজন নারী হয়ে এই ধরণের মন্তব্য কেউ করে কী করে। নারী হিসেবে রাখি যে কী সেটা সবাই জানে।
তনুশ্রীর এই কমেন্টের পর চুপ থাকার মানুষ নন রাখি। যেখানে ইন্ডাস্ট্রির নানা বিষয় অপ্রয়োজনীয় কথা বলে যান রাখি সেখানে তার বিরুদ্ধে কথা উঠলে চুপচাপ ব্যাপারটা এরিয়ে যাবেন তেমনটা কখনই হয়নি। দু’দিন চুপ করে থাকলেও অবশেষে একটি সাংবাদিক বৈঠকে সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। তনুশ্রী দত্ত মাদক সেবন করতেন, তার সব অভিযোগ মিথ্যে, নানা পাটেকারের মতো মানুষ হয় না, তনুশ্রীর আসলে মাথার ঠিক নেই। একের পর এক বিভিন্ন কথা বলে গিয়েছেন রাখি।
তার কথায়, ‘হ্যাঁ আমি ক্লাসি নই। আমার কোনও স্ট্যান্ডার্ড নেই, কিন্তু তনুশ্রী কী? এতদিন ধরে চুপ ছিল কেন? ১০ বছর ধরে কি কোমায় ছিল যে মুখ খুলতে পারেনি। এখন এত কথা ফুটছে ওর মুখে? বলিউডে কেউ তাকে কাজ দিচ্ছে না। আমেরিকায় ভিক্ষে করে বেরাতো, সেখান থেকেও তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তনুশ্রীকে। আরও অনেক কেচ্ছাই করেছে, তাই এখানে এসে পাবলিসিটি পাওয়ার চেষ্টা করছে। ইংরেজিতে দু-একটা কথা বলল আর সবাই ওটাকে সত্যি মেনে ওকে সমর্থন করছে। সেটে তো আমিও ছিলাম, ওখানে তো কেউ নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে কথা বলেনি।
এতেই থেমে থাকেননি রাখি। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেছেন তনুশ্রীকে। ক্ষোভ প্রকাশ করতে করতেই তিনি বলতে লাগলেন, ‘ও পুরোটাই বানিয়ে বলছে। নানা পাটেকারের সেটে থাকার কথা ছিল না মানে টা কি। গানটা তো সবাই দেখেছে, ছেলেদের লিরিকস ছিল। সেটা কে এসে করবে ও না নানা পাটেকার। ও নিজেকে ভ্যানিটি ভ্যানে বন্ধ করে রেখেছিল কারণ ওর মাথার ঠিক ছিল না। তার সাথে মেকআপ আর্টিস্ট আর হেয়ার ড্রেসার নিজে আমায় বলেছে যে মাদক নিয়ে অজ্ঞান হয়ে ২-৩ ঘণ্টা ধরে পড়ে আছে। নানা পাটেকার, তনুশ্রীর বিরদ্ধে মামলা করলে আমি আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ওনাকে সমর্থন করে যাব।’
No comments:
Post a Comment