টাক সমস্যার সমাধানে কত কিছুই না আমরা ব্যবহার করে থাকি। বিভিন্ন ট্রিটমেন্টের পাশাপাশি হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্টও করে থাকি। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা টেকো পুরুষদের জন্য একটি সুখবর দিচ্ছে। সুখবর-ই বটে! না, এটা টেকো সমস্যার কোনো সমাধানের খবর না। এটা তাদের জন্য একটি ইতিবাচক খবর। গবেষণা বলছে, টেকো পুরুষেরা অন্য পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও সেক্সি হয়ে থাকেন। আর এ কারণেই তারা টাক ঢাকতে কোনো ধরনের টুপি ব্যবহার করেন না। এমনকি তারা নাকি নিজেদের সেক্সি বা আবেদনময়ী দেখাতে নিয়মিত মাথা শেভও করে থাকেন।
আমেরিকান হেয়ার লস অ্যাসোসিয়েশন এর পরিসংখ্যান বলে, দুই তৃতীয়াংশ পুরুষদেরই ৩৫ বছর বয়সের মাঝেই সব চুল পড়ে যায়। বাংলাদেশের পুরুষরাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই টেকো সমস্যায় ভুগে থাকেন। কেননা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ও দূষিত পরিবেশ চুল পড়ার জন্য দায়ী। তবে যাদের ২০-২২ বছরের মধ্যে চুল পড়ার সমস্যা শুরু হয় তারা এক সময়ে গিয়ে ডিপ্রেশনে ভোগেন। তবে এখন পুরো বিশ্বই টেকো সমস্যাকে খুব সহজেই গ্রহণ করেছে এবং বর্তমানে এটাতে কেউ লজ্জাবোধও করেন না।
নারীরা সচরাচর আত্মবিশ্বাসী পুরুষদের বেশি পছন্দ করে থাকেন। গবেষণাটিতে অভিজ্ঞ টেকো পুরুষরা পরামর্শ দিয়ে বলেন যে, যখন কারও চুল পড়া শুরু করে তখন তার উচিত এই পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহণ করা। প্রয়োজনে তার মাথা টাক করে ফেলাও উচিত এবং টেকো চেহারার সাথে নিজেকে দেখতে দেখতে অভ্যস্ত করে তোলা উচিত। এতে করে নিজের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে তেমনি নিজেকে অন্যের সামনে আবেদনময়ী করেও উপস্থাপন করতে পারবেন।
একজন পুরুষ ও একজন নারীর যখনই প্রথম দেখা হয় তখন নারীরা সর্বপ্রথম পুরুষটির যা দেখে তা হলো তার ‘চুল’। আর টেকো পুরুষের যেহেতু তা (চুল) নেই সেহেতু প্রথম দেখাতে নারীরা দেখে পুরুষের চোখ। এর ফলে তাদের চোখে চোখে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়।
গবেষণায় এও প্রমাণিত হয়েছে যে, একজন টেকো পুরুষ আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে নারীর সামনে উপস্থাপন করতে পারে বলেই নারীরা তাদের প্রতি আকর্ষিত হন বেশি। আর এই আত্মবিশ্বাসের জোরেই টেকো পুরুষ নারীকে বিছানায় বেশি তৃপ্ত করতে পারেন।
সুতরাং, আপনি যদি টেকো মাথার অধিকারী হয়ে থাকেন তাহলে নিজেকে না লুকিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যান। কারণ আপনি সত্যিই একজন আবেদনময়ী পুরুষ।
সূত্র: পিচকোয়ার্টারস
আমেরিকান হেয়ার লস অ্যাসোসিয়েশন এর পরিসংখ্যান বলে, দুই তৃতীয়াংশ পুরুষদেরই ৩৫ বছর বয়সের মাঝেই সব চুল পড়ে যায়। বাংলাদেশের পুরুষরাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই টেকো সমস্যায় ভুগে থাকেন। কেননা আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস ও দূষিত পরিবেশ চুল পড়ার জন্য দায়ী। তবে যাদের ২০-২২ বছরের মধ্যে চুল পড়ার সমস্যা শুরু হয় তারা এক সময়ে গিয়ে ডিপ্রেশনে ভোগেন। তবে এখন পুরো বিশ্বই টেকো সমস্যাকে খুব সহজেই গ্রহণ করেছে এবং বর্তমানে এটাতে কেউ লজ্জাবোধও করেন না।
নারীরা সচরাচর আত্মবিশ্বাসী পুরুষদের বেশি পছন্দ করে থাকেন। গবেষণাটিতে অভিজ্ঞ টেকো পুরুষরা পরামর্শ দিয়ে বলেন যে, যখন কারও চুল পড়া শুরু করে তখন তার উচিত এই পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহণ করা। প্রয়োজনে তার মাথা টাক করে ফেলাও উচিত এবং টেকো চেহারার সাথে নিজেকে দেখতে দেখতে অভ্যস্ত করে তোলা উচিত। এতে করে নিজের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়বে তেমনি নিজেকে অন্যের সামনে আবেদনময়ী করেও উপস্থাপন করতে পারবেন।
একজন পুরুষ ও একজন নারীর যখনই প্রথম দেখা হয় তখন নারীরা সর্বপ্রথম পুরুষটির যা দেখে তা হলো তার ‘চুল’। আর টেকো পুরুষের যেহেতু তা (চুল) নেই সেহেতু প্রথম দেখাতে নারীরা দেখে পুরুষের চোখ। এর ফলে তাদের চোখে চোখে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়।
গবেষণায় এও প্রমাণিত হয়েছে যে, একজন টেকো পুরুষ আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে নারীর সামনে উপস্থাপন করতে পারে বলেই নারীরা তাদের প্রতি আকর্ষিত হন বেশি। আর এই আত্মবিশ্বাসের জোরেই টেকো পুরুষ নারীকে বিছানায় বেশি তৃপ্ত করতে পারেন।
সুতরাং, আপনি যদি টেকো মাথার অধিকারী হয়ে থাকেন তাহলে নিজেকে না লুকিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যান। কারণ আপনি সত্যিই একজন আবেদনময়ী পুরুষ।
সূত্র: পিচকোয়ার্টারস
No comments:
Post a Comment