পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একমাত্র মেডিকেল কলেজ এই মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু রোগীকে চিকিৎসারর জন্য আনা হয় এই জেলা হাসপাতালে। অথচ এই হাসপাতালের উপর বিস্তর অভিযোগ থাকে রোগীর পরিজনদের। এমনকি বিনা চিকিৎসা বা ভুল চিকিৎসায় রোগি মৃত্যুর অভিযোগও বারে বারে উঠে আসে এই হাসপাতালে। সেই তালিকায় যুক্ত হল আরো একটি ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ। গতকাল রাত ৮ টা নাগাদ শ্যামলী ঘোষ নামের এক গৃহবধুকে প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে ভর্তি করা হয় এই হাসপাতালে। এই শ্যামলীর বাড়ি কেশপুরের ডাঙরপাড়া এলাকায়। ভর্তির বেশ কিছুহ্মন পর চিকিৎসক আসে বলে অভিযোগ। তার পর রাতে প্রসব প্রক্রিয়া হওয়ার পর হাসপাতালের তরফে জানানো হয় মা ও সন্তান দু-জনেই সুস্থ। কিন্তু এর পর আজ ভোর রাত ৪ টার দিকে ঐ মহিলার রক্তহ্মরন শুরু হয়। এবং কিছু পরেই তিনি মারা যান। আর এতেই চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে মৃতের পরিবারের লোকেরা। তাদের প্রশ্ন মা যদি সুস্থ বলে বলা হয় তবে মৃত্যু হল কেন? এ নিয়ে আজ হাসপাতাল সুপারের কাছে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ জানিয়েছেন মৃতের পরিবার। সুপারকে না পেয়ে সহকারী সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানয়েছেন সহকারী সুপার পবিত্র কুমার মন্ডল।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একমাত্র মেডিকেল কলেজ এই মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু রোগীকে চিকিৎসারর জন্য আনা হয় এই জেলা হাসপাতালে। অথচ এই হাসপাতালের উপর বিস্তর অভিযোগ থাকে রোগীর পরিজনদের। এমনকি বিনা চিকিৎসা বা ভুল চিকিৎসায় রোগি মৃত্যুর অভিযোগও বারে বারে উঠে আসে এই হাসপাতালে। সেই তালিকায় যুক্ত হল আরো একটি ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ। গতকাল রাত ৮ টা নাগাদ শ্যামলী ঘোষ নামের এক গৃহবধুকে প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে ভর্তি করা হয় এই হাসপাতালে। এই শ্যামলীর বাড়ি কেশপুরের ডাঙরপাড়া এলাকায়। ভর্তির বেশ কিছুহ্মন পর চিকিৎসক আসে বলে অভিযোগ। তার পর রাতে প্রসব প্রক্রিয়া হওয়ার পর হাসপাতালের তরফে জানানো হয় মা ও সন্তান দু-জনেই সুস্থ। কিন্তু এর পর আজ ভোর রাত ৪ টার দিকে ঐ মহিলার রক্তহ্মরন শুরু হয়। এবং কিছু পরেই তিনি মারা যান। আর এতেই চিকিৎসা ব্যাবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে মৃতের পরিবারের লোকেরা। তাদের প্রশ্ন মা যদি সুস্থ বলে বলা হয় তবে মৃত্যু হল কেন? এ নিয়ে আজ হাসপাতাল সুপারের কাছে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ জানিয়েছেন মৃতের পরিবার। সুপারকে না পেয়ে সহকারী সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানয়েছেন সহকারী সুপার পবিত্র কুমার মন্ডল।

No comments:
Post a Comment