শিল্প শহর হলদিয়ায় শিল্পের বিকাশের ক্ষেত্রে কী সমস্যা রয়েছে অথবা আগামীদিনে শিল্পের বিকাশ ঘটতে পারে কীভাবে ? সেইসব বিষয় নিয়ে শুক্রবার হলদিয়ায় "ডেস্টিনেশান হলদিয়া" নামে বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করে মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্স। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, জেলাশাসক রেশমি কমল, পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া, হলদিয়া বন্দরের ডেপুটি চেয়ারম্যান জি সেন্টিভেল, সংস্থার সভাপতি হেমন্ত বাঙ্গুর সহ বিভিন্ন শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা।
সেমিনারে উপস্থিত থেকে তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “আমাদের সরকার চেষ্টা করছে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্প সংস্থার অগ্রগতির জন্য কাজ করতে। তার জন্য রাজ্য সরকার নানা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থাও করেছে। হলদিয়াতে শিল্প তৈরির জন্য যথেষ্ট পরিকাঠামো রয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিল্পের বিকাশের জন্য শিল্পপতিদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় আলোচনায় বসছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের পাশাপাশি শিল্প শহর হলদিয়াতেও শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। আগামীদিন আরও নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠবে হলদিয়ায়। সব থেকে বড় কথা আমাদের সরকারের সময় হলদিয়ায় একদিনও কর্মদিবস নষ্ট হয়নি। শিল্প গড়ে তোলার জন্য হলদিয়ায় উপযুক্ত সড়ক ব্যবস্থা,রেল,বন্দর পরিষেবা, জল ও বিদ্যুৎ সহ সব রকম পরিকাঠামো রয়েছে। আগামীদিনে হলদিয়ায় শিল্পের বিকাশ ঘটবে আরো। জেলাশাসক রেশমি কমল বলেন, “শিল্পপতিদের কথা ভেবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করে চলেছেন। হলদিয়ায় শিল্পের বিকাশের কারণ, এই জেলায় শিল্পের জন্য উপযুক্ত জায়গা, রাস্তা, বিদ্যুৎ, যানবাহন সেই সঙ্গে হলদিয়ায় যাতায়াতের সুযোগসুবিধা রয়েছে। শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে এই ধরনের সেমিনার আগামীদিনে শিল্পের বিকাশের পথ দেখাবে।” শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, রাজ্য সরকার হলদিয়াতে বিভিন্ন ভাবে উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। এবং এখন কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভ সেভাবে দেখা যায় না। সব দিক দিয়ে উন্নয়ন ঘটানর ফলে আশা করা যায় আরো শিল্প সংস্থা লগ্নি করবে হলদিয়াতে।

No comments:
Post a Comment