বাংলাদেশে আম রপ্তানীকর বেশী। তাই মালদার আম বাংলাদেশে আমদানীকারকেরা আমদানী করছে না কয়েকবছর ধরে।ফলে মালদার আমের দাম পাচ্ছেন না মালদা আম চাষীরা। শুধু তাই মালদার রপ্তানীকারকেরা মালদার আম বাংলাদেশে রপ্তানী করতে না পেরে আমের মরসুমে লোকসানে রয়েছেন। অর্জন হচ্ছেনা বৈদেশিক মুদ্রাও। দেশের অর্থনীতির সাথে এ রাজ্যের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই এ রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের দ্বিতীয় ইনিংসের মালদার প্রথম সফরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর কাছে বাংলাদেশে আম রপ্তানীর আবেদন নিয়ে হাজির হচ্ছেন এ জেলার আম রপ্তানীকারক থেকে আম চাষী। মালদার রপ্তানীকারক সমীর ঘোষ জানান বিগত দিনে আমের মরসুমে বাংলাদেশে আম রপ্তানী করে প্রচুর অর্থ উপার্জন হত।দেশের অর্থনৈতিক সাথে এ রাজ্যেও অর্থনৈতিক ভাবে মজবুত হত। তবে বছর কয়েক আগে রপ্তানী শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় এক কেজি আম বাংলাদেশ রপ্তানী করতে ৩৫টাকা শুল্ক দিতে হয়। যার ফলে বাংলাদেশের আমদানীকারকদের এক কেজি আম ক্রয় করতে প্রায় ৮০/৯০টাকা মূল্য দিতে হয়।তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হয়ে যায় বেশী। আর বাংলাদেশের আমদানীকারকের মালদার আম নিতে অস্বীকার করে। তাই মালদার আম বাংলাদেশে রপ্তানী বন্ধ। যার ফলে মালদা জেলায় প্রচুর আমের ফলন হওয়ায় চাষীরা আমের সঠিক দাম পান না। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এ জেলার অর্থকারী ফসল।বাংলাদেশে আম রপ্তানী না হবার জন্য জেলার আম চাষীরা মার খাচ্ছে এমনই অভিমত জেলার আম চাষীদের। তাই জেলার রপ্তানীকারক থেকে আম চাষী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে মালদার আম বাংলাদেশে রপ্তানীর করার উদ্যোগ নেবার জন্য আবেদন জানাবেন।
বাংলাদেশে আম রপ্তানীকর বেশী। তাই মালদার আম বাংলাদেশে আমদানীকারকেরা আমদানী করছে না কয়েকবছর ধরে।ফলে মালদার আমের দাম পাচ্ছেন না মালদা আম চাষীরা। শুধু তাই মালদার রপ্তানীকারকেরা মালদার আম বাংলাদেশে রপ্তানী করতে না পেরে আমের মরসুমে লোকসানে রয়েছেন। অর্জন হচ্ছেনা বৈদেশিক মুদ্রাও। দেশের অর্থনীতির সাথে এ রাজ্যের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই এ রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের দ্বিতীয় ইনিংসের মালদার প্রথম সফরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর কাছে বাংলাদেশে আম রপ্তানীর আবেদন নিয়ে হাজির হচ্ছেন এ জেলার আম রপ্তানীকারক থেকে আম চাষী। মালদার রপ্তানীকারক সমীর ঘোষ জানান বিগত দিনে আমের মরসুমে বাংলাদেশে আম রপ্তানী করে প্রচুর অর্থ উপার্জন হত।দেশের অর্থনৈতিক সাথে এ রাজ্যেও অর্থনৈতিক ভাবে মজবুত হত। তবে বছর কয়েক আগে রপ্তানী শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় এক কেজি আম বাংলাদেশ রপ্তানী করতে ৩৫টাকা শুল্ক দিতে হয়। যার ফলে বাংলাদেশের আমদানীকারকদের এক কেজি আম ক্রয় করতে প্রায় ৮০/৯০টাকা মূল্য দিতে হয়।তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হয়ে যায় বেশী। আর বাংলাদেশের আমদানীকারকের মালদার আম নিতে অস্বীকার করে। তাই মালদার আম বাংলাদেশে রপ্তানী বন্ধ। যার ফলে মালদা জেলায় প্রচুর আমের ফলন হওয়ায় চাষীরা আমের সঠিক দাম পান না। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এ জেলার অর্থকারী ফসল।বাংলাদেশে আম রপ্তানী না হবার জন্য জেলার আম চাষীরা মার খাচ্ছে এমনই অভিমত জেলার আম চাষীদের। তাই জেলার রপ্তানীকারক থেকে আম চাষী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে মালদার আম বাংলাদেশে রপ্তানীর করার উদ্যোগ নেবার জন্য আবেদন জানাবেন।

No comments:
Post a Comment