স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করার অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ঘটনাটি ঘটছে নন্দীগ্রাম থানার সাউদখালিগ্রামে। মঙ্গলবার সকালে গোবিন্দ মিদ্যার বাড়ির পিছনে তার স্ত্রী শংকরি ও দেড় বছরের ছোট মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। গোবিন্দকে জিঞ্জেস করে সঠিক উত্তর না পেয়ে থানায় খবর দেয় তারা। ঘটনাস্থলে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ যায় দেহ দুটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। মৃত শংকরির স্বামী গোবিন্দকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান দশ বছর আগে নন্দীগ্রাম থানার জামবাড়ি গ্রামের শংকরির সাথে বিয়ে হয় সাউদখালি গ্রামের গোবিন্দের সংগে। প্রথম থেকেই মদ্যপ অবস্থায় এসে শংকরির উপর অত্যাচার চালাত গোবিন্দ এবং দফায় দফায় বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিত তাকে। মাঝে মাঝে অত্যাচার চরম পর্যায় যেত বলে জানান। সোমবার রাতেও গোবিন্দ মদ্যপ অবস্থায় এসে শংকরির সংগে ঝগড়া করে তার পর সকালে শংকরি ও তার দেড় বছরের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছে গোবিন্দ শংকরিকে বাড়ির মধ্যেই শ্বাসরোধ করে খুন করেছে, দেড় বছরের মেয়েটি চিৎকার করে কাঁদছিল বলে তাকেও খুন করে গোবিন্দ এবং এটাকে আত্মহত্যা প্রমান করার জন্য গলায় দড়ি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছিল। তবে কেন এই খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করার অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ঘটনাটি ঘটছে নন্দীগ্রাম থানার সাউদখালিগ্রামে। মঙ্গলবার সকালে গোবিন্দ মিদ্যার বাড়ির পিছনে তার স্ত্রী শংকরি ও দেড় বছরের ছোট মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। গোবিন্দকে জিঞ্জেস করে সঠিক উত্তর না পেয়ে থানায় খবর দেয় তারা। ঘটনাস্থলে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ যায় দেহ দুটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। মৃত শংকরির স্বামী গোবিন্দকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান দশ বছর আগে নন্দীগ্রাম থানার জামবাড়ি গ্রামের শংকরির সাথে বিয়ে হয় সাউদখালি গ্রামের গোবিন্দের সংগে। প্রথম থেকেই মদ্যপ অবস্থায় এসে শংকরির উপর অত্যাচার চালাত গোবিন্দ এবং দফায় দফায় বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিত তাকে। মাঝে মাঝে অত্যাচার চরম পর্যায় যেত বলে জানান। সোমবার রাতেও গোবিন্দ মদ্যপ অবস্থায় এসে শংকরির সংগে ঝগড়া করে তার পর সকালে শংকরি ও তার দেড় বছরের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছে গোবিন্দ শংকরিকে বাড়ির মধ্যেই শ্বাসরোধ করে খুন করেছে, দেড় বছরের মেয়েটি চিৎকার করে কাঁদছিল বলে তাকেও খুন করে গোবিন্দ এবং এটাকে আত্মহত্যা প্রমান করার জন্য গলায় দড়ি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছিল। তবে কেন এই খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment