নতুন জেলা ঘোষণার পরও ঝাড়গ্রাম নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না শাসকদলের।সেখানকার বিধায়ক ও গুরুত্ত্বপূর্ন নেতাদের জীবনযাপনের বহরে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।গত ৫-৬ বছরে এইসব নেতা-মন্ত্রীদের সম্পত্তিবৃদ্ধির পরিমান দেখে চোখ কপালে উঠেছে দলের একনিষ্ঠ কর্মী-সমর্থকদের।আর তার সঙ্গে পুঞ্জীভূত হচ্ছে ক্ষোভ।তাঁদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অঞ্চলের উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন সেই মতোই অর্থ পাঠাচ্ছেন কিন্তু তা চলে যাচ্ছে আদতে নেতা-মন্ত্রীদের পকেটে!
অন্যদিকে দীর্ঘদিন লাল ঝান্ডা ধরে বামপন্থার জয়গান গাওয়া দলীয় নেতা-কর্মীরা মনে করছেন লাল সুদিন শেষ! তৃণমূলের দাপটে ভেঙে গেছে কোমরটাই! আর তাই লাল ঝান্ডা ধরে মাটি কামড়ে পরে থেকে লড়াই করেও বিশেষ লাভ নেই, শেষ ফলাফল পরাজয়ই।
আর তাই শাসকদল ও বামফ্রন্ট থেকে বেশ কিছু সংগঠন স্তরের গুরুত্ত্বপূর্ন নেতা-কর্মী হাতে তুলে নিলেন গেরুয়া পতাকা।দলত্যাগীদের মধ্যে তৃণমূলের প্রাক্তন বুথ সভাপতি থেকে সিপিএমের প্রাক্তন শাখা সম্পাদক এর মত গুরুত্ত্বপূর্ন দলীয় কর্মীরা ছিলেন।তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তুষার মুখোপাধ্যায়, দলের পর্যবেক্ষক শ্যামাপ্রাসাদ মণ্ডল, বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি সুখময় শতপথী, জেলার সাধারণ সম্পাদক অবনী ঘোষ।এরফলে পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই অঞ্চলে বিজেপির সংগঠন যে বেশ মজবুত হল বলায় বাহুল্য।
No comments:
Post a Comment