বারংবার বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় রেগে গিয়ে বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টায় বাধা দেওয়ায় এক কলেজ ছাত্রীকে ধারালো অস্ত্রের কোপ দিলে অভিযুক্ত যুবককে স্থানীয়রা হাতে নাতে ধরে গণধোলাই দেয়।ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই কলেজ ছাত্রী মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।মূল অভিযুক্ত যুবককে স্থানীয়দের থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তাকেও মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার বৈষ্ণবনগর থানায় চকবাহাদুরপুর অঞ্চলের বাঙালী পাড়া এলাকায়।
ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানাগেছে, দক্ষিন মালদা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে পাঠরত ওই ছাত্রী।বড় দুই দাদার পর পরিবারের একমাত্র মেয়ে।প্রায় বছর খানেক আগে থেকেই স্থানীয় যুবক অনিল মন্ডল উত্যক্ত চালাতো।কলেজ,টিউশন যাওয়ার পথে,আবার কখনো গ্রামের রাস্তায়।সমস্তটাই ভয়ে মুখ বুজে সহ্য করে নিতো ওই ছাত্রী।প্রায় মাস কয়েক আগে ওই ছাত্রীর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় অভিযুক্ত যুবক।পরিবারের সদস্য সহ ছাত্রী ওই বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।তারপর শুরু হয় যুবকের কটূক্তির পালা।তবে শনিবার রাতের ঘটনায় ধর্যের বাঁধ ভেঙে যায়।
অভিযোগ,শনিবার রাতে যুবক অনিল মন্ডল তার জামাইবাবু রঞ্জন মন্ডলকে সঙ্গে নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়ির পাঁচিল টপকে ঘরে ঢুকে পড়ে।প্রচন্ড গরম থাকায় মা বাবা বাড়ির ছাদে ঘুমিয়ে ছিলেন।ঘরে একাই ছিলেন ওই বছর ২০ ছাত্রী।অভিযুক্ত অনিল মন্ডল জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে ছাত্রীর মুখ চেপে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।বাধা দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে ওই ছাত্রী।চিৎকার শুনে ছুটে আসে প্রতিবেশিরা।তখন অভিযুক্ত যুবক ধসরাল অস্ত্র দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করে।অভিযুক্তের জামাইবাবু ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও স্থানীয়রা অভিযুক্ত যুবককে ধরে ফেলে।চলে জনতার গণধোলাই।রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে প্রথমে স্থানীয়রা বেদরাবাদ সাস্থকেন্দ্র ও গভীর রাতে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে স্থানীয়দের হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ ভর্তি করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে জামাইবাবু রঞ্জন মন্ডলের খোঁজ চালাচ্ছে।এদিকে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন আক্রান্ত ছাত্রীর পরিবারবর্গ

No comments:
Post a Comment