পাহাড়ে অশান্তির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর দিকে আঙুল তুলে দিলীপবাবু বলেন, ‘এতদিন তো শান্তই ছিল পাহাড়। কেন উনি প্রতি মাসে গিয়ে গন্ডগোল করতেন? এগারোটা ভাগে ভাগ করে দিলেন জাতির নামে।’
তাঁর দাবি, ‘ডেভেলপমেন্ট বলে কিছু নেই। খালি চালাকি। কিছু পেটোয়া লোক করেছেন তাঁদের টাকা দিয়ে আসেন। ওরা লোক নিয়ে আসে ওনার সভাতে আর কোনও কাজ নেই। সেই চালাকিটা ধরা পড়ে গিয়েছে।’
মমতা ব্যানার্জিই পাহাড়ের মানুষকে খেপিয়েছেন।‘ওখানে লোক খেপাতে গেছে। এখন খেপে গেছে, দ্যাখ কেমন মজা লাগে এবার। খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ঘা করছে। শুক্রবার বিকেলে হুগলির চুচূড়ায় এক সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপবাবুর প্রশ্ন , ‘অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী দায় এড়ানোর খেলায় নেমেছেন। গত ২৫ বছর ধরে পাহাড়ে আন্দোলন চলছে। তখন বিজেপি কোথায় ছিল?’
পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ শুরু মোর্চা নেতাদের, তারপরই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে পাহাড়। ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি, লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসে জখম হন উভয় পক্ষের অনেকেই। তারই জেরে এদিন বনধ ডাকে মোর্চা নেতৃত্ব।
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়কে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে নিজে যেমন ঘুরছেন পাহাড়ের কোণে কোণে, তেমনই সেনা-পুলিশ মোতায়েন করেছেন প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। আর কোনওভাবেই হিংসা ছড়াতে দিতে চান না তিনি। তবু এরই মধ্যে পুলিশ প্রহরা না থাকায় মংপুতে আগুন লাগানো হয় নির্মীয়মাণ আইটিআই ভবনে।


No comments:
Post a Comment