দেশে ফিরে বাদুড়িয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী বসিরহাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।
প্রসঙ্গত ইজরায়েল সফর সেরে হামবুর্গে জি-২০ সম্মেলনে গিয়েছিলেন। রাজনাথ সিং ফোনে মোদীকে বাদুড়িয়ার পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন। বৈঠকের মাঝ মাঝে খোঁজ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার দেশে ফেরার পর রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেন। সিকিম নিয়েও তিনি কথা বলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে।
সূত্রের খবর, ইজরায়েল সফর ও জি-২০ বৈঠকের মাঝেই প্রধানমন্ত্রী খবর নিচ্ছিলেন। সোমবার সকালে দেশে ফিরেই তিনি পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বসেন। প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিংসা থামাতে ব্যবস্থা নিতে পারেননি। উলটে তিনি রাজনীতি। নিজেই চিঠি লিখে জানাচ্ছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী দরকার নেই। তারপরই আবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলছেন।
( আরও পড়ুনঃ পুলিশের দুইরকম ভূমিকা নিয়ে কি বললেন দিলীপ ঘোষ?)
অন্যদিকে, বাদুড়িয়া ও বসিরহাটকাণ্ডে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। গত এক সপ্তাহ ধরে চলা ওই অশান্তির মধ্যে এই প্রথম তিনি এনিয়ে মন্তব্য করলেন।
সোমবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেন বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মতো একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্থানে কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল তা খুঁজে দেখা প্রয়োজন। দেখতে হবে এর পেছনে কোনও রাজনীতি রয়েছে কিনা। কারও কোনও প্ররোচনা রয়েছে কিনা তাও দেখা দরকার। গোটা ঘটনাটা খুবই উদ্বেগের বিষয়।
প্রসঙ্গত ফেসবুকে একটি প্ররোচনামূলক পোস্টকে কেন্দ্র করে বাদুড়িয়া, বসিরহাট, স্বরূপনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি ছড়ি্যে পড়ে। অভিযোগ, এই অশান্তি এড়ানো যেত যদি প্রশাসন আরও একটু সচেষ্ট হতো। ইতিমধ্যেই ওই অশান্তির ঘটনায় একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে আসছে বাদুড়িয়া-বসিরহাট।

No comments:
Post a Comment