“দুর্ভাগ্যবশত, যারা খোদাতে বেশি বিশ্বাস করেন, আমাদের খোদার পথে নিয়ে যেতে চান, সেই আল্লামা শফীও খোদার উপর আস্থা না
রেখে ভারতীয় হাসপাতালের ওপর আস্থা রেখে ভারতে রওনা হয়ে গেছেন। আমাদের সমস্যা হলো
এখানে।”
চট্টগ্রামের হাটহাজারীর কওমি
মাদ্রাসা দারুল উলুম মইনুল ইসলামের প্রধান শফি
চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে এসেছেন। আর এনিয়েই শফিকে বিঁধলেন বিএনপিপন্থী চিকিৎসক
জাফিরুল চৌধুরী।
ডাক্তারি চিকিৎসার দরকার নেই দরকার মুসলমানদের
আল্লাহর দুয়ার।তাহলেই সব ঠিক।প্রসঙ্গত, শারীরিক দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা
নিয়ে গত ১৮ মে থেকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আহমদ শফী।
প্রায় ১৫ দিন সেখানে চিকিৎসার পর পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় গত ৬ জুন এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে আনা হয়েছিল ঢাকার আজগর আলf হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসা শেষে গত ১০ জুলাই চট্টগ্রাম ফিরেছিলেন
তিনি। এরপর তিনি দিল্লি আসেন। জাফরুল্লাহ আরও বলেন,”হামিদ সাহেবও (রাষ্ট্রপতি) একটু শ্বাসকষ্ট হলে ছোটেন, প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) কানে না
শুনলে ছোটেন, বিরোধী দলের নেত্রী (খালেদা জিয়া) চোখে
কম দেখলে ছোটেন। কতদিন আমরা বিদেশি ভরসায় থাকব?”
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা
ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ আরও বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, যারা খোদাতে বেশি বিশ্বাস করেন, আমাদের খোদার পথে নিয়ে যেতে চান, সেই আল্লামা শফীও খোদার উপর আস্থা না
রেখে ভারতীয় হাসপাতালের ওপর আস্থা রেখে ভারতে রওনা হয়ে গেছেন। আমাদের সমস্যা হলো
এখানে।”

No comments:
Post a Comment