২১ শে জুলাই শহিদ দিবসে ধর্মতলায়
জনস্রোতের সামনে অনুষ্ঠান মঞ্চে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত
নিয়ে বললেন দিল্লীকে বোল্ড আউট করতে হবে,২০১৯ এ বরদা বিদায় হবেই,৩০% ভোট পাবেন না
মোদীবাবু,বাংলা থেকে সিট নিতে দেব না,৯ আগস্ট থেকে বিজেপি ভারত ছাড়ো কর্মসূচি চালু,একজন একজন করে সবাইকে
ডাকছে বলছে বিজেপিতে আসুন,ডেকে ভাবছে অপমানিত করবে,আমরাও ছাড়ব না মানহানির মামলা
দেব,তবে তৃণমূলও ছাড়বে না,বিজেপির দূরনীতির বিরুদ্ধে কোথায় সিবিআই?গোরক্ষকের নামে
গোরাক্ষস।নাম না করে দিলীপকে কটাক্ষ মমতার।তিনি বলেন, নোট বন্দীর নামে
দুর্নীতি,তদন্ত চাই।দেশের অর্থনীতিতে ধশ,গায়ের জোরে যা ইচ্ছা তাই করছে।নজর ঘোরাতে
হিংসা ছড়াচ্ছে,গুজবে কান দেবেন না। আমরা ওদের চাকর-বাকর নই।বাংলাদেশ,গুজরাতের ছবি
দেখিয়ে বাংলায় অশান্তি করার চেষ্টা করছে।
সারা দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা
চলছে। কেউ মুখ খুললেই সিবিআই হানা দিচ্ছে। একটা চ্যানেলের অফিসে সিবিআই তল্লাশি
চালিয়েছে। এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারকে বিঁধলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর কথায়,’দিল্লির
চ্যানেলগুলি বিক্রি হয়ে গিয়েছে।’
বসিরহাট-বাদুড়িয়ায়
অশান্তি খবর সম্প্রচার করেছিল ইংরেজি ও হিন্দি খবরের চ্যানেলগুলি। এমনকি
বাদুড়িয়ার ঘটনায় তৃণমূলের যোগ নিয়ে একটি চ্যানেল স্টিং অপারেশন করেছিল। আর এনিয়েই এদিন ক্ষোভ
উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,”বাংলার চ্যানেলগুলির বুকের পাটা
আছে। দিল্লির চ্যানেলগুলি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। দালালির পর দালালি চলছে।”
এদিন মমতার নিশানায় ছিল মূলত দুটি সর্বভারতীয় চ্যানেল। তিনি
বলেন,”র ও রেড্ডির টাকায় একটা R দিয়ে চ্যানেল খুলেছে। বিজেপির মুখপত্র
হয়েছে। আর একটা চ্যানেল তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী। তারা আবার ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্টিং
অপারেশন করছে। স্টিং-কে আমি বিশ্বাস
করি না।” বিরোধীদের
বক্তব্য, গত
বিধানসভা ভোটেই তো দুটি বাংলা চ্যানেল দেখবেন না বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এখন বলছেন, দিল্লির
চ্যানেল দালালি করছে। তাহলে কী বিরুদ্ধে খবর দেখানো হলেই দালালিল? আর নিজের সমর্থনে খবর দেখালে বুকের পাটা
আছে!

No comments:
Post a Comment