বাদুড়িয়ায় নিহত কার্তিক ঘোষের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে নিমতলায়। তাঁর পরিবার বসিরহাটে নিয়ে গিয়ে শেষকৃত্য করাতে চেয়েছিলেন। তবে পুলিশ তা করতে দেয়নি। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল দেহ হাইজ্যাক করেছে। কার্তিক ঘোষের মৃত্যু ধামাচাপা দিতে দেওয়ার চেষ্টা।
বসিরহাটে অশান্তির বলি ৬৫ বছরের কার্তিক ঘোষের।দোকান থেকে ফেরার পথে তাঁর উপরে হামলা চালিয়েছিল উন্মত্ত জনতা। আর জি কর হাসপাতালে আনা হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় তাঁর। কার্তিক ঘোষের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি বিজেপি নেতাদের। তৃণমূলের গুন্ডারা হামলা চালায়। এমনকি বিজেপির রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়কেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাঁর ছোট ছেলে প্রভাশিসকে সারা দিন রেখে দেওয়া হয়েছিল টালা থানায়। সেখানে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে বাধা দিয়েছে। প্রথম থেকেই পুলিশ চেষ্টা করে গিয়েছে, এই মৃত্যুকে ধামাচাপা দিতে।
(আরও পড়ুনঃউত্তেজনা বসিরহাটে,বদলি পুলিশ আধিকারিক)
(আরও পড়ুনঃউত্তেজনা বসিরহাটে,বদলি পুলিশ আধিকারিক)
দিলীপ ঘোষের কথায়,”তৃণমূল দেহ হাইজ্যাক করে চাপা দিতে চেয়েছে।” বিকেলের মধ্যে কার্তিকবাবুর দেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়। বিজেপির দাবি ছিল, বসিরহাট গিয়ে শেষকৃত্য করতে হবে কার্তিক ঘোষের। নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে রাজি হয়নি পুলিশ। গভীর রাতে নিমতলায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

No comments:
Post a Comment