মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ওনার চিকিৎসার প্রয়োজন। হাজরা মোড়ে পথ সভায় এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা জয় বন্দোপাধ্যায়।
পুজো আসছে, প্যান্ডেল বাধা হয়ে গেছে। যেই নেতারা লাখ লাখ টাকা খরচ করে এখানে বড় বড় পুজো করেন, তাঁদের মধ্যে অনেক নেতাই এবার পুজো দেখার সুযোগ পাবেন না। ভুবনেশ্বরে গিয়ে পুজো দেখতে হবে। তার প্রস্তুতি হয়ে গেছে। ট্রায়েল হয়েছে। একবার যাচ্ছেন, দু’বার যাচ্ছেন। খুব শিগগিরই CBI তাঁদের পুজো দেখার জন্য ওড়িশা নিয়ে যাবেন। নাম না করে রোজ়ভ্যালিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের এভাবেই কটাক্ষ করেন BJP-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
সারদা-নারদে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ভাই এবার তো ছাড়া পেয়ে গেলাম। পরের বার মনে হয় আর ছাড়া পাব না। সন্ধেয় বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করছেন, কি গো চিঠি এসেছে? কীসের চিঠি? চিঠি আসেনি তো। CBI এর চিঠি, EDর চিঠি। এখন তৃণমূল সাংসদ, বিধায়কদের জন্য প্রেমপত্র অপেক্ষা করছে। কেন এই পরিস্থিতি। মানুষের সঙ্গে যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তার ফল এটা। আমাদের চমকে কিছু লাভ নেই।”
তিনি বলেন, কাল ৭টি পৌরসভার নির্বাচন। যদি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হয় তাহলে BJP ভালো ফল করবে। আর আগামী দিনে BJP রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের জায়গা পেতে চলেছে।
প্রসঙ্গত, BJPকে ভারত ছাড়া করার ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবিষয়ে দিলীপবাবু বলেন, একটি রাজ্যে ক্ষমতায় থেকে কীভাবে হাস্যকর কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সবকটি রাজ্যেই তো প্রায় ক্ষমতা দখল করেছে BJP।
আজ হাজরা মোড়ে তৃণমূল তোষণ ছাড়ো ব্যানারে অবস্থান-বিক্ষোভ করে BJP। রাজ্যে আইনের শাসন নেই, বিরোধী দলগুলির কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে, তৃণমূল রাজ্যে BJP সহ সব বিরোধী দলগুলির উপর আক্রমণ চালাচ্ছে, এইসব অভিযোগ তুলে অবস্থানে বসে তারা।
হাজরা মোড়ে দুপুর ২টো থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত অবস্থান-বিক্ষোভ চলে। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ নেতৃত্ব দেন। জয় ব্যানার্জী , জর্জ বেকার, মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য, BJP-র সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসু ও রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।
No comments:
Post a Comment