তৃণমূলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন আব্দুল! কিন্তু কেন? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 9 September 2017

তৃণমূলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন আব্দুল! কিন্তু কেন?


শুধু নারদা-সারদা নয়, তৃণমূলের জেলাপরিষদ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের কি ভাবে সম্পত্তি বৃদ্ধি হল সে নিয়ে শীঘ্রই আদালতের দারস্থ হবেন, এমনই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। এর মধ্যেই সভা সেরে ফেরার পথে শাসক দলের সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন আব্দুল মান্নান, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য সহ অনেকে। তাদের গাড়ীতে ধাক্কাধাক্কি করা হয়। আজ বিকালে বোলপুর সংলগ্ন  সাবিরগঞ্জ গ্রামে, সেভ ডেমোক্রেসি ফোরামের তরফ থেকে, শিবপুর মৌজায় জমি ফেরতের দাবীতে এক সভায় তিনি যোগ দিয়েছিলেন। এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আব্দুল মান্নান বলেন, “শুধু  নেতা মন্ত্রীরা নয়, জেলাপরিষদের সদস্য থেকে পঞ্চায়েত সদস্য – তৃনমুলের এই সব নেতাদের সম্পত্তি কি করে এত গুন বাড়ল সে নিয়েও তদন্ত হবে। সারদা নিয়ে যেমন আদালতের দারস্থ হয়েছিলাম সে ভাবেই এদের নিয়েও মামলা করব আমি। সে কাজ শুরু করতে চলেছি। ধৈর্য ধরুন, আরও অনেকে জেলে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “সিঙ্গুর নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলন করে আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

(আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রী মোদী সমকামী খবর কেন শেয়ার করেছিলেন গৌরী?)

 কিন্তু আজ তারা জমি মাফিয়া হয়ে গেছে।  কৃষকের থেকে তাদের জমি কেড়ে নিচ্ছে। সে ভাঙড় হোক বা আপনাদের শিবপুর। আপনারাও সংবদ্ধ ভাবে জমি আন্দোলন গড়ে তুলুন।” প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে ২০০১ সালে শিবপুর মৌজায় তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার শিল্প তৈরী করব বলে জমি অধিগ্রহন করেছিল। জমি অধিগ্রহন করলেও সেখানে কোন শিল্প  কিছুই গড়ে ওঠে নি। ২০১১তে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে এলে বেশ কিছু প্রকল্প নেয় এখানে। যার মধ্যে অন্যতম মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বিশ্ব বাংলা বিশ্ববিদ্যালয় ও থিম সিটি – গীতবিতান। সেই সঙ্গে থাকছে তথ্য প্রযুক্তি কেন্দ্র [আই টি হাব] ও বিশ্ব ক্ষুদ্র বাজার। কিন্তু বকেয়া টাকা দেওয়া ও এই জমিতে শিল্পই করতে হবে এমন দাবী তুলে আন্দোলনে নামে সাবিরগঞ্জের কিছু কৃষক। শ্রীনিকেতন শান্তিনিকেতন উন্নয়ন পর্ষদের তরফ থেকে তাদের বকেয়া টাকা দিয়ে দিলে জমি ঘেরার কাজ শুরু হয়। কিন্তু শিল্প চাই নতুবা জমি ফেরত চাই এমন দাবীতে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার আইনজীবি বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। আজকের সভাতে তিনি বলেন, “শিল্প না হলে জমি এদের ফেরত দিতেই হবে। আদালতে একবার ধাক্কা খেয়েছে। এবার শুয়ে পড়বে। আমাদের বিশ্বাস আদালত শিল্প না হলে কৃষকদের জমি ফেরত দেবার জন্য নির্দেশ দেবেন।” এরপরেই তিনি অভিযোগ করেন, “জমি বিক্রির মুনাফার ৮০% যায় দল নেত্রীর পকেটে।” আজকের সমাবেশ কে কেন্দ্র করে এলাকার তৃনমুল কংগ্রেস সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সভা শেষ করে বেরোবার সময় শাসকদলের সমর্থকেরা আব্দুল মান্নান, বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য সহ এলাকার বাম নেতাদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। বেশ কয়েকটি গাড়িতে চর-থাপ্পড় মারা হয়। তবে পুলিশের তৎপরতায় বড়সড় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad