পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের অপহৃত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ধৃত এক ।গত বুধবার সকালে তন্ময় ভট্টাচার্য ভাতাড়ের কুবাজপুরের বাড়ি থেকে বের হয় কলকাতায় বিজেপি সাংসদ রুপা গাঙ্গুলীর সঙ্গে দেখা করার জন্য। সন্ধ্যায় তার বাড়িতে ফোন করার কথা ছিল। কিন্তু বাড়ি থেকে বার বার তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি। মোবাইল বন্ধ ছিল। কিন্তু শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার সময় বাবা বাসুদেব ভট্টাচার্যের মোবাইলে একটি ফোন আসে। বাবাকে বলা হয় আপনার ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। ৮ লক্ষ টাকা মুক্তপণ বাবদ দিতে হবে। পুলিশে খবর দিলে ছেলেকে খুনের হুমকিও দেয় অপহরণকারীরা ।তারপর দুপুর আড়াইটার সময় অপহৃত যুবক তন্ময় নিজেই বাবাকে ফোন করে জানায় মুক্তিপণ বাবদ এখন ২০ লক্ষ টাকা চাইছে। বাবা বাসুদেব ভট্টাচার্য ভাতাড় থানায় গোটা বিষয়টি জানান। অপহরণ কাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন করে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধলাহাট থানার ইন্দ্রনারায়ণপুরের একটি বাড়ি থেকে অপহৃত তন্ময়কে উদ্ধার করে। ওই বাড়ি থেকেই অপহরণকারী আলমগীর মীরকে পুলিশ হাতে নাতে ধরে ফেলে। রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হলে সিজেএম ধৃত আলমগীর মীরকে পাঁচ দিনের পুলিশী হেফাজতের নির্দেশ দেন। অপহৃত তন্ময় ভট্টাচার্য জানায় তাকে সাগর ব্যানার্জী নাম করে আলমগীর মীর ফোন করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষীকান্তপুরে যেতে বলে। তাকে বলা হয় ট্রাকটরের কাজ আছে। ট্রাকটর ভাড়া নেওয়া হবে। এরপর অভিযুক্ত আলমগীর মীর তাকে প্রথমে নিয়ে যায় রামগঙ্গায়। পরে তাকে ইন্দ্রনারায়ণপুরের একটি বাড়িতে আটক করে রাখা হয়। তাকে মারধরের পাশাপাশি মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বাড়িতে মুক্তপণের জন্য টাকা চাইতে বলে। রীতিমত তার হাত পা বেঁধে বাথরুমে আটকে রাখে অপহরণকারী ।যদিও ধৃত আলমগীর মীর জানায় গোটা ঘটনায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের অপহৃত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ধৃত এক ।গত বুধবার সকালে তন্ময় ভট্টাচার্য ভাতাড়ের কুবাজপুরের বাড়ি থেকে বের হয় কলকাতায় বিজেপি সাংসদ রুপা গাঙ্গুলীর সঙ্গে দেখা করার জন্য। সন্ধ্যায় তার বাড়িতে ফোন করার কথা ছিল। কিন্তু বাড়ি থেকে বার বার তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি। মোবাইল বন্ধ ছিল। কিন্তু শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার সময় বাবা বাসুদেব ভট্টাচার্যের মোবাইলে একটি ফোন আসে। বাবাকে বলা হয় আপনার ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। ৮ লক্ষ টাকা মুক্তপণ বাবদ দিতে হবে। পুলিশে খবর দিলে ছেলেকে খুনের হুমকিও দেয় অপহরণকারীরা ।তারপর দুপুর আড়াইটার সময় অপহৃত যুবক তন্ময় নিজেই বাবাকে ফোন করে জানায় মুক্তিপণ বাবদ এখন ২০ লক্ষ টাকা চাইছে। বাবা বাসুদেব ভট্টাচার্য ভাতাড় থানায় গোটা বিষয়টি জানান। অপহরণ কাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন করে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধলাহাট থানার ইন্দ্রনারায়ণপুরের একটি বাড়ি থেকে অপহৃত তন্ময়কে উদ্ধার করে। ওই বাড়ি থেকেই অপহরণকারী আলমগীর মীরকে পুলিশ হাতে নাতে ধরে ফেলে। রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হলে সিজেএম ধৃত আলমগীর মীরকে পাঁচ দিনের পুলিশী হেফাজতের নির্দেশ দেন। অপহৃত তন্ময় ভট্টাচার্য জানায় তাকে সাগর ব্যানার্জী নাম করে আলমগীর মীর ফোন করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষীকান্তপুরে যেতে বলে। তাকে বলা হয় ট্রাকটরের কাজ আছে। ট্রাকটর ভাড়া নেওয়া হবে। এরপর অভিযুক্ত আলমগীর মীর তাকে প্রথমে নিয়ে যায় রামগঙ্গায়। পরে তাকে ইন্দ্রনারায়ণপুরের একটি বাড়িতে আটক করে রাখা হয়। তাকে মারধরের পাশাপাশি মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বাড়িতে মুক্তপণের জন্য টাকা চাইতে বলে। রীতিমত তার হাত পা বেঁধে বাথরুমে আটকে রাখে অপহরণকারী ।যদিও ধৃত আলমগীর মীর জানায় গোটা ঘটনায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

No comments:
Post a Comment