বারের মধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যু, বার ভাংচুর গ্রামবাসীদের
তমাল কর্মকার ,বনগাঁঃ উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁ থানা এলাকার কালপুর বাজার এলাকায়, যশোর রোডের ওপর রিমঝিম বারে, শুক্রবার রাত নটা নাগাদ বারের কর্মীরা দেখতে পান এক ব্যক্তি পড়ে আছে ঘরের এক পাশে। বারে মদ্যপান করতে আসা এক ব্যক্তি ওই ব্যক্তিকে দেখে চিনতে পারে। ব্যক্তির বাড়ি গাইঘাটা থানার তিলি এলাকায় নাম স্বপন সৈয়াল ৪৩। বারের পক্ষ থেকে ওই এলাকার ডাক্তার এনে তাকে দেখানো হয় এবং ডাক্তার জানিয়ে দেয় ওই ব্যক্তির শারিরীক পরিস্থিতি খারাপ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে । কিন্তু তারা হাসপাতালে না নিয়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে বাড়ির লোক এসে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। ডাক্তার মৃত বলে ঘোষনা করে ওই ব্যক্তিকে। তার পরেই এলাকার লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। কেন এক ঘন্টার বেশী সময় ধরে ফেলে রাখা হলো এই অভিযোগে স্থানীয় লোকজন ভাংচুর করে । এবং বারের ম্যানেজার কে বোতল দিয়ে সজোরে মাথায় আঘাত করে। এই মহুর্তে বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বার ম্যানেজার । এই মৃতুর জন্য বার কতৃপখ দায়ী বলে মৃতের পরিবারের দাবী। পরিবারের সদস্যরা এও বলেন,"প্রায় পণে দু -ঘন্টা ফেলে না রেখে হাসপাতলে নিয়ে আসলে হয়ত বেঁচে যেত । শুধু অবহেলার কারনে অকালে মৃত্যু হল আজ "। যদিও অভযোগ অসিকার করে বার মালিক গৌতম সাহা বলেন ,"উনি বারের কাস্টমার না, মদও খায়নি। বারের পাশে একটি বাথরুমে গেলে সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়ে"। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বনগাঁ থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তমাল কর্মকার ,বনগাঁঃ উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁ থানা এলাকার কালপুর বাজার এলাকায়, যশোর রোডের ওপর রিমঝিম বারে, শুক্রবার রাত নটা নাগাদ বারের কর্মীরা দেখতে পান এক ব্যক্তি পড়ে আছে ঘরের এক পাশে। বারে মদ্যপান করতে আসা এক ব্যক্তি ওই ব্যক্তিকে দেখে চিনতে পারে। ব্যক্তির বাড়ি গাইঘাটা থানার তিলি এলাকায় নাম স্বপন সৈয়াল ৪৩। বারের পক্ষ থেকে ওই এলাকার ডাক্তার এনে তাকে দেখানো হয় এবং ডাক্তার জানিয়ে দেয় ওই ব্যক্তির শারিরীক পরিস্থিতি খারাপ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে । কিন্তু তারা হাসপাতালে না নিয়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে বাড়ির লোক এসে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। ডাক্তার মৃত বলে ঘোষনা করে ওই ব্যক্তিকে। তার পরেই এলাকার লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়ে। কেন এক ঘন্টার বেশী সময় ধরে ফেলে রাখা হলো এই অভিযোগে স্থানীয় লোকজন ভাংচুর করে । এবং বারের ম্যানেজার কে বোতল দিয়ে সজোরে মাথায় আঘাত করে। এই মহুর্তে বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বার ম্যানেজার । এই মৃতুর জন্য বার কতৃপখ দায়ী বলে মৃতের পরিবারের দাবী। পরিবারের সদস্যরা এও বলেন,"প্রায় পণে দু -ঘন্টা ফেলে না রেখে হাসপাতলে নিয়ে আসলে হয়ত বেঁচে যেত । শুধু অবহেলার কারনে অকালে মৃত্যু হল আজ "। যদিও অভযোগ অসিকার করে বার মালিক গৌতম সাহা বলেন ,"উনি বারের কাস্টমার না, মদও খায়নি। বারের পাশে একটি বাথরুমে গেলে সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়ে"। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বনগাঁ থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

No comments:
Post a Comment