নেশার জন্য টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে।জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের কাওয়াগাপ গ্রামের ঘটনা।মৃতা গৃহবধূর ভাশুরের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মহেশ রায়কে গ্রেফতার করেছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,অভিযুক্ত মহেশ রায় সেরকম কোনো কাজ করত না,সব সময় নেশাগ্রস্থ অবস্থায় থাকত।স্ত্রী গুনবালা রায়ের উপার্জনে সংসার চলত।প্রায় দিনই মদ খাওয়ার জন্য টাকা চেয়ে স্ত্রীকে মারধোর করত মহেশ।সম্প্রতি স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে কাজের জন্য ঋণ নিয়েছিলেন গুনবালা রায়।সেই টাকা চেয়ে তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়।টাকা দিতে না চাওয়ায় শনিবারও মহেশ স্ত্রীকে মারধোর করে বলে অভিযোগ। সোমবার সন্ধ্যায় মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ফের মারধোর শুরু করে।অভিযোগ টাকা চেয়ে না পাওয়ায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহেশ স্ত্রীকে কোপ মারে।তারপর পালিয়ে যায়।তাদের বিবাহিত বড় মেয়ে ঘরে ঢুকে মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তার চিৎকার শুনে আত্মীয় প্রতিবেশিরা ছুটে আসে।খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।অভিযুক্ত মহেশ রায়ের দাদা হরেন রায় ভাই এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে।তার ভিত্তিতে মহেশ রায়কে রাতেই গ্রেফতার করে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।আজ তাকে জলপাইগুড়ি আদলতে পেশ করা হয়।ওই গৃহবধূর দেহ জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
নেশার জন্য টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে।জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের কাওয়াগাপ গ্রামের ঘটনা।মৃতা গৃহবধূর ভাশুরের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মহেশ রায়কে গ্রেফতার করেছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,অভিযুক্ত মহেশ রায় সেরকম কোনো কাজ করত না,সব সময় নেশাগ্রস্থ অবস্থায় থাকত।স্ত্রী গুনবালা রায়ের উপার্জনে সংসার চলত।প্রায় দিনই মদ খাওয়ার জন্য টাকা চেয়ে স্ত্রীকে মারধোর করত মহেশ।সম্প্রতি স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে কাজের জন্য ঋণ নিয়েছিলেন গুনবালা রায়।সেই টাকা চেয়ে তার ওপর অত্যাচার শুরু হয়।টাকা দিতে না চাওয়ায় শনিবারও মহেশ স্ত্রীকে মারধোর করে বলে অভিযোগ। সোমবার সন্ধ্যায় মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ফের মারধোর শুরু করে।অভিযোগ টাকা চেয়ে না পাওয়ায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহেশ স্ত্রীকে কোপ মারে।তারপর পালিয়ে যায়।তাদের বিবাহিত বড় মেয়ে ঘরে ঢুকে মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তার চিৎকার শুনে আত্মীয় প্রতিবেশিরা ছুটে আসে।খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।অভিযুক্ত মহেশ রায়ের দাদা হরেন রায় ভাই এর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে।তার ভিত্তিতে মহেশ রায়কে রাতেই গ্রেফতার করে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ।আজ তাকে জলপাইগুড়ি আদলতে পেশ করা হয়।ওই গৃহবধূর দেহ জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

No comments:
Post a Comment