হাওড়ার সাঁকরাইল থানা এলাকার কোলড়াতে প্রাচীন একটি জমিদার বাড়ি ভেঙে ফেলার সময়ে মিলল ব্রিটিশ আমলের বিশাল সুড়ঙ্গ।সোমবার এই নিয়ে এলাকায় চললো তুমুল হইচই।জানা গিয়েছে এই এলাকায় এক সময়ে জমিদার ছিলেন জনৈক সরকার পরিবার।কিন্তু কালের অমোঘ নিয়মে জমিদারী প্রথা উঠে যায়।পরে সরকারদের শরীকরা জনৈক ব্যবসায়ী মাতন হালদারকে বাড়িটি বিক্রি করে।কিছু অংশ ভেঙে সংস্কার করার জন্য সোমবার সকাল থেকেই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে শ্রমিকরা।এরপরেই পাওয়া যায় বিশাল সুড়ঙ্গ।পরে সুড়ঙ্গ দিয়ে কয়েকজন যুবক গিয়ে দেখে বিশাল গুপ্ত ঘর রয়েছে নীচে।দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে খবর।উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি বিচার করে ঘটনাস্থলে আসে ডোমজুড় ও সাঁকরাইল থানার পুলিশ।তদন্তের জন্য আপাতত বন্ধ রাখা হয় কাজ।স্থানীয় প্রবীন ও ওয়াকিবহাল মহল থেকে জানা গিয়েছে এক সময়ে এই বাড়িটি ছিল বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর বোনের বাড়ি।এখানে কলকাতায় থাকার সময়ে আত্ম গোপন করে থাকতেন তিনি।বেশ কিছু গুপ্ত মিটিং ও হয়েছে।হাওড়ার সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই হাই প্রোফাইল এই বিপ্লবীর নাম জড়িয়ে যাওয়ায় রীতিমতো তীব্র উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।
হাওড়ার সাঁকরাইল থানা এলাকার কোলড়াতে প্রাচীন একটি জমিদার বাড়ি ভেঙে ফেলার সময়ে মিলল ব্রিটিশ আমলের বিশাল সুড়ঙ্গ।সোমবার এই নিয়ে এলাকায় চললো তুমুল হইচই।জানা গিয়েছে এই এলাকায় এক সময়ে জমিদার ছিলেন জনৈক সরকার পরিবার।কিন্তু কালের অমোঘ নিয়মে জমিদারী প্রথা উঠে যায়।পরে সরকারদের শরীকরা জনৈক ব্যবসায়ী মাতন হালদারকে বাড়িটি বিক্রি করে।কিছু অংশ ভেঙে সংস্কার করার জন্য সোমবার সকাল থেকেই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে শ্রমিকরা।এরপরেই পাওয়া যায় বিশাল সুড়ঙ্গ।পরে সুড়ঙ্গ দিয়ে কয়েকজন যুবক গিয়ে দেখে বিশাল গুপ্ত ঘর রয়েছে নীচে।দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে খবর।উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি বিচার করে ঘটনাস্থলে আসে ডোমজুড় ও সাঁকরাইল থানার পুলিশ।তদন্তের জন্য আপাতত বন্ধ রাখা হয় কাজ।স্থানীয় প্রবীন ও ওয়াকিবহাল মহল থেকে জানা গিয়েছে এক সময়ে এই বাড়িটি ছিল বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর বোনের বাড়ি।এখানে কলকাতায় থাকার সময়ে আত্ম গোপন করে থাকতেন তিনি।বেশ কিছু গুপ্ত মিটিং ও হয়েছে।হাওড়ার সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই হাই প্রোফাইল এই বিপ্লবীর নাম জড়িয়ে যাওয়ায় রীতিমতো তীব্র উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

No comments:
Post a Comment