ঝরখালির জঙ্গলে পুলিশ জলদস্যুদের গুলির লড়াই।বানচাল হল বাংলাদেশি জাহাজ অপহরনের ছক ।শুক্রবার রাতে উদ্ধার হল জলদস্যদের ফেলে যাওয়া মালপত্র।তবে ধরা পড়েনি কোন ও জলদস্যু।পুলিশের অভিযানের মধ্যে পালিয়ে যায় তারা।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালি উপকূলীয় থানার বিদ্যাধরী নদীর জঙ্গলে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারুইপুর জেলার পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনহার নেতৃত্ব সুন্দরবন জঙ্গলে গোপন অভি্যান চালায় পুলিশ।কার্গো জাহাজে লুটপাট করার আগেই সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয় পুলিশের একটি টিম।ছোট ডিঙি নৌকায় করে সাত আট জন জলদস্যুদের অপরেশন শুরুর জন্য জঙ্গলে প্রবেশ করার আগেই পুলিশ নৌকায় থাকা দল টি কে চ্যালেঞ্জ করে। তখন পুলিশ কে লক্ষ্য করে প্রথমে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় জলদস্যুরা। পুলিশ ও পাল্টা গুলি চালায়।পুলিশ ও জলদস্যুদের মধ্যে ঘন্টা খানেক ধরে চলে গুলি বিনিময়। পুরো ঘটনা টি চলে রাত একটা থেকে দুটোর মধ্যে। প্রায় ঘন্টা খানেক চলে গুলির লড়াই।এরপর রাতের অন্ধকার ও কুয়াশার সু্যোগ নিয়ে নৌকা থেকে লাফ মেরে গা ঢাকা দেয় গভীর জঙ্গলে। পালিয়ে যেতে সর্মথ হয় জলদস্যুরা।শনিবার সকালে জলদূষ্য দের ফেলে যাওয়া বেশ কিছু জিনিস পত্র জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।যে ডিঙি নৌকায় চড়ে জলদস্যুরা আসে ধরা পড়েছে সেই নৌকা টি। নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে জলদস্যু দে ফেলে যাওয়া দুটি ওয়ান সাটার বন্দুক ও গুলি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে জলদস্যুদের ব্যাবহার করা সমস্ত জিনিস পত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে মালপত্র নিয়ে কার্গো জাহাজ বাংলাদেশে যায়। কলকাতা থেকে বাংলাদেশি এই জাহাজ গুলি সুন্দরবনের ভিতরের জলপথ ব্যাবহার করে পন্য সরবরাহ হয় দুই দেশের মধ্যে।সেই জাহাজ কে অপহরন করে মালপত্র লুঠ পাঠ ও কর্মি দের অপহরন করে মুক্তি পন আদায় করাই ছিল এই জলদস্যুদের মূল উদ্দেশ্য। পুলিশের তৎপরতায় তা রক্ষা পায়।


No comments:
Post a Comment