নতুন দল নয় বিজেপিতেই যোগ দিতে চলেছে মুকুল রায়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেই কালি পুজোর পরই মুকুলের নেতৃত্বে বঙ্গ বিজেপিকে সাজানো হবে। তবে মুকুলকে দেওয়া হতে পারে সাংগঠনিক তৈরির দায়িত্ব। পরিবর্তন হতে পারে রাজ্য সভাপতিও। বঙ্গ যখন মাতৃ বন্দনায় ব্যস্ত দিল্লিতে তখন বাংলাকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। এমনটাই দাবি করেছে খোদ মুকুল চিন্তন শিবিরের এক সদস্য।
মুকুল রায় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বাহিনীর ওই সদস্যের আরও দাবি, মুকুলের সঙ্গে বিজেপি শিবিরে আসতে পারেন তৃণমূল সরকারের এক প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং এক সাংসদ। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা ও পঞ্চায়েতের বড়ো অঙ্কের জনপ্রতিনিধি এবং ভোটকারবারীরা তৃণমূল ছেড়ে মুকুলের সঙ্গে আসছে বলে খবর। গোটা প্রক্রিয়া এতটাই গোপনীয় ভাবে বাস্তবায়িত হতে চলেছে যে মেরামত করার সুযোগ পাবেনা তৃণমূল কংগ্রেস। জনৈক ওই ব্যক্তির দাবি, হিন্দি মুখ আর বর্তমান নেতৃত্ব দিয়ে বাংলায় বিজেপি কিচ্ছু করতে পারবে না তা বিলক্ষণ বুঝে গেছেন অমিত মোদী জুটি। প্রতিবেশী এক রাজ্য থেকে রাজ্য সভাপতিকে উড়িয়ে এনে বাংলার দায়িত্ব দেওয়া হবে। মুকুলকে দেওয়া হবে সংগঠন সাজানোর দায়িত্ব। আর বর্তমান চেয়ারধারী নেতাদের সরিয়ে দেওয়া হবে। বদলে ফেলা হতে পারে পুরো খোল নলচে।
বিশ্ববাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে,
রাজ্য বিজেপির বড় দায়িত্বে আসছেন মুকুল রায়।
সম্ভাবনা 1)দলের অন্যতম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, যার দায়িত্বে থাকবে পশ্চিমবঙ্গ। সঙ্গে থাকবেন শিবপ্রকাশ। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বাংলার সঙ্গে অন্য দায়িত্বও পাবেন।
2) মুকুল রাজ্য বিজেপি সভাপতি। মাথার উপর কৈলাস ও শিবপ্রকাশ। দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিয়েছেন, দলের স্বার্থে যদি দিল্লি মুকুলকে সভাপতি করে, তিনি হাসিমুখে সহযোগিতা করবেন।
3) দিলীপবাবু সভাপতি থাকবেন। কিন্তু বড় কোনও পদে মুকুলকে এনে নিয়ন্ত্রক করা হবে।
শনিবার রাত পর্যন্ত খবর সরাসরি বিজেপিতে যাচ্ছেন মুকুল।
তবে জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেসকেও তৈরি রেখেছেন তিনি। শেষ মুহূর্তে যদি লাগে। তবে সম্ভাবনা ক্রমশঃ কমছে।

No comments:
Post a Comment