পড়ুন মুকুল ও ঋতব্রত বিজেপিতে কি পদ পাচ্ছেন? তৃণমূল থেকে আসছেনই বা কারা !
পায়েল দেব, কলকাতা :
মুকুল রায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এমনটাই দাবি বিজেপি সুত্রের।
জানাগেছে, মুকুল রায়কে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখা হতে পারে। ঋতব্রত রাজ্য বিজেপির মুখপত্র হতে চলেছেন। ঋতব্রত মুলত সংবাদ মাধ্যম সামলাবেন। বিভিন্ন টক শো, সাংবাদিক সম্মেলন করবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুল রায়কে রাজ্য সভার সাংসদ করার কথাও বিজেপির ভাবনায় আছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে রাজ্যে সংগঠন তৈরি করবেন। মুকুলের মাথার ওপরে থাকবেন এক জন স্হায়ী পর্যবেক্ষক ও রাজ্যসভাপতি।
মুকুল রায় তৃণমূলে ভাঙন ধরাবেন তা অবধারিত। প্রাক্তন বিধায়ক, সাংসদ ও পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি ছাড়াও তৃণমূলের বর্তমান বিধায়ক ও সাংসদ মিলিয়ে জনা কুড়ি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে মুকুলের সঙ্গেই যোগ দেবেন। দল ত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় না পড়ার সংখ্যাটা আনার জোর চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। সুত্রের দাবি, যদি সংখ্যাটা মুকুল আনতে না পারেন তাহলে যে সংখ্যাটা আনবেন তাদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইন প্রয়োগ করতে গেলে তৃণমূলকেই সমস্যায় পড়তে হবে। সুত্রের ব্যাখ্যা, কংগ্রেস থেকে তৃণমূল যাদের ভাঙিয়ে এনেছিল তাদের ক্ষেত্রেও ওই আইন প্রয়োগ করতে হবে। সব মিলিয়ে, দীপাবলির পর রাজ্য রাজনীতিতে এমন পরিবর্তন হতে চলেছে যা সামাল দিতে তৃণমূলকেই বেগ পেতে হবে।
পায়েল দেব, কলকাতা :
মুকুল রায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এমনটাই দাবি বিজেপি সুত্রের।
জানাগেছে, মুকুল রায়কে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখা হতে পারে। ঋতব্রত রাজ্য বিজেপির মুখপত্র হতে চলেছেন। ঋতব্রত মুলত সংবাদ মাধ্যম সামলাবেন। বিভিন্ন টক শো, সাংবাদিক সম্মেলন করবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুল রায়কে রাজ্য সভার সাংসদ করার কথাও বিজেপির ভাবনায় আছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে রাজ্যে সংগঠন তৈরি করবেন। মুকুলের মাথার ওপরে থাকবেন এক জন স্হায়ী পর্যবেক্ষক ও রাজ্যসভাপতি।
মুকুল রায় তৃণমূলে ভাঙন ধরাবেন তা অবধারিত। প্রাক্তন বিধায়ক, সাংসদ ও পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি ছাড়াও তৃণমূলের বর্তমান বিধায়ক ও সাংসদ মিলিয়ে জনা কুড়ি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে মুকুলের সঙ্গেই যোগ দেবেন। দল ত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় না পড়ার সংখ্যাটা আনার জোর চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। সুত্রের দাবি, যদি সংখ্যাটা মুকুল আনতে না পারেন তাহলে যে সংখ্যাটা আনবেন তাদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ আইন প্রয়োগ করতে গেলে তৃণমূলকেই সমস্যায় পড়তে হবে। সুত্রের ব্যাখ্যা, কংগ্রেস থেকে তৃণমূল যাদের ভাঙিয়ে এনেছিল তাদের ক্ষেত্রেও ওই আইন প্রয়োগ করতে হবে। সব মিলিয়ে, দীপাবলির পর রাজ্য রাজনীতিতে এমন পরিবর্তন হতে চলেছে যা সামাল দিতে তৃণমূলকেই বেগ পেতে হবে।

No comments:
Post a Comment