দেব কুমার দে, উত্তর চব্বিশ পরগনা :
জ্বরে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু ,চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ও ওয়ার্ডের অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ স্থানীয়দের ।
গত সপ্তা থেকে জ্বরে আক্রান্তের মৃত্যু বারাসাত হাসপাতালে । চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে রোগিমৃত্যু ঘিরে বেশ কিছুক্ষন বিক্ষোভ দেখালো রোগীর আত্মীয়রা ।মৃতার নাম অনিমা মজুমদার (৪৬) বাড়ি হাবড়ার বানীপুর এলাকায় ।চলতি মাসের ১৪ তারিখ হাবড়া হাসপাতাল থেকে বারাসাতে ভর্তি হয় গতকাল তার মৃত্যু হয় এই মৃত্যুতে পরিবারের দাবী রোগীর শাসকস্ট শুরু হওয়ায় অক্সিজেনের দরকার হয় ,হাসপাতালে ছিলো অক্সিজেন আর অক্সিজেন দিতে টাকা লাগবে ।কিন্তু রোগীর পরিবার বলে আপনারা অক্সিজেন দিন আমরা টাকা যোগার করে নিয়ে আসছি কিন্তু টাকা দিতে দেরি হওয়ায় অক্সিজেন দেয়নি হাসপাতালের নার্স ও আয়া রা বলে অভিযোগ রোগীর পরিবারের আর তার ফলেই রোগীর মৃত্যু হয় ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছরায় বারাসাত হাসপাতাল চত্তরে ।ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে জ্বরে আক্রান্ত ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে অজানা জ্বরে মহিলার মৃত্যুর প্রতিবাদ , অপরিছন্নতা ও সঠিক চিকিৎসার দাবীতে প্রতিবাদ করে অশোকনগের ৫ নম্বর বিটি কলেজ মোড়ে যশোর রোডের ওপর টায়ার জালিয়ে অবরোধ । ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অবরোধ করে।ঘটনাস্থলে অশোকনগর থানার পুলিশ ।
অন্যদিকে, বনগাঁয় হাসপাতালে ঝটিকা সফরে জেলাশাসক । প্রায় সাড়ে তিন মাস বাদে চালু হল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল বিভাগ । দিনের পর দিন জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখা বেড়েই চলেছে ।হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ ।হাবড়া ,বারাসাত ,দেগঙ্গার মতো বনগাঁ মহাকুমা হাসপাতালেও একই বেডে রয়েছে একাধিক রোগী ,মেঝেতেও তিল ধারনের যায়গা নেই ।পাশাপাশি রোগীর তুলনায় হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত ডাক্তার তাই সঠিক চিকিৎসা পরিশেবা থেকে ব্যাহত হচ্ছেন গোটা বনগাঁ মহাকুমার মানুষ ।জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এক মহিলা সহ এক একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী মারাও গিয়েছেন ।গোটা ঘটনায় বিভিন্ন সংবাদ পত্র ও সংবাদ মাধ্যমে খবর সম্রচার হতেই নড়ে চরে বসলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন ।২৯ জুন ২০১৭ বনগায় নতুন ভাবে তৈড়ি হওয়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ভবনের উদ্ভদন করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ।কিন্তু সেই ভবন হওয়াটাই সার প্রায় সাড়ে তিন মাস হতে চললো তবুও রোগী পরিশেবা চালু হয়নি ।তাই এবার আসরে নামলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক অন্তরা আচার্য ।সোমবার দুপুরে ঝটিকা সফরে আসেন হাসপাতালে ।এবং হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে কথা বলে সোমবার থেকেই সুপার স্পেশলিটি হাসপাতাল বিল্ডিং এর পুরুষ বিভাগ চালু করার সিন্ধান্ত নেন পাশাপাশি আগামি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মহিলা ও শিশু বিভাগও চালু করার সিন্ধান্ত নেয় জেলাশাসক ।হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড , নতুন ভবন ঘুরে দেখার পাশাপাশি রোগী ও তাদের পরিজনদের সঙ্গেও কথা বলেন জেলাশাসক অন্তরা আচার্য ।অন্তরা দেবী আরও বলেন বনগাঁর যে যে এলাকাগুলি বেশি পরিমানে জ্বরের প্রকোপ সেখানেও প্রযোজন অনুযায়ি অস্থায়ী মেডিকেল টিম থাকবে ।

No comments:
Post a Comment