পৈত্রিক সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়ে ধরা পরে মিমাংসার নাম করে নিজের দিদিকেই কিডনাপ করে খুন করে মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলে পালালো অভিযুক্তরা ।বনগাঁর গোপালনগরের মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা সাহিদা দফাদার বনগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বলেন ,তার বাড়িতেই প্রায় তিরিশ বছর যাবত থাকতো তার বৃদ্ধ দিদি অবিবাহিত হাফিজা মন্ডল (৬৫) । তারা দুই বোন ও এক ভাই মান্নান দফাদার (৬০) ওরফে মুংলা তাদের বাবা আব্দুস সাত্তার মন্ডলের মৃত্যুর পর প্রায় ১৬ বিঘা সম্পত্তির চার ভাগ হওয়ার কথা। সেমতই হাফিজা মন্ডলের ভাগেও প্রায় ৪ বিঘা জমি ছিলো ।তাঁর অবিবাহিত দিদি ওই এলাকায় না থাকার সুবাদে তাঁর পুরো সম্পত্তি জালিয়াতি করে বছর তিনেক আগে নিজের নামে লিখিয়ে নেয় মান্নান এমনটাই অভিযোগ তার বোন সাহিদা দফাদারের ।যদিও দিদির ভাগের জমি আত্মস্বাতের কথা মাস দুই আগে জানতে পারেন দুই বোন সাহিদা দফাদার ও হাফিজা মন্ডল ।বর্তমানে তারা গোপালনগরের মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা ।নদীয়া জেলার গাঙনাপুর থানার অন্তর্গত আইসমালি বেলেআটি পাড়ায় তাদের মৃত বাবার বাড়িতে থাকা ভাই মান্নান দফাদারের কাছে জমি লিখিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চায় প্রতারিত দিদি । তখন বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য নদীয়ার গাঙনাপুর থানার আইসমালি বেলে আটি তলা এলাকায় ডাকেন অভিযুক্ত মান্নান ।এরপর চলতি বছরের ২৭ আগস্ট আইসমালি এলাকায় মান্নানের এক আত্মীয় মিজানুর মন্ডলের বাড়িতে মিমাংসার জন্য যায় সাহিদা দফাদার তাঁর দিদি হাফিজা মন্ডল । মিমাংসা চলাকালিন ভাই মান্নান হাফিজাকে জোর করে অন্যত্র তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ । এরপর দিদিকে না পেয়ে ঐদিনই (২৭-০৮-২০১৭) নদীয়ার গাঙনাপুর থানায় দিদিকে নিখোজের একটি অভিযোগ দায়ের করেন সাহিদা দফাদার । এরপর থেকে সাহিদা তার দিদি হাফিজার কোনও খোজ পায়নি । পরে রবিবার বনগাঁ হাসপাতাল থেকে পুলিশ মারফত খবর পেয়ে বনগাঁ হাসপাতালে এসে মৃত দিদির মৃতদেহ চিন্হিতকরন করেন সাহিদা দফাদার ।এই ঘটনায় হাসপাতালে যারা তার দিদিকে ভর্তি করে সেই দুজনও বৃদ্ধার মৃত্যুর খবর শুনে মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলেই পালিয়ে যায় । এই ঘটনায় বনগাঁ থানায় সাহিদা তার দিদি হাফিজা মন্ডল (৬৫) কে তুলে নিয়ে গিয়ে চক্রান্ত করে খুন করেছে এই মর্মে ভাই মান্নান দফাদার সহ মোট ৮ জনের নামে বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় তদন্তে নেমেছে বনগাঁ থানার পুলিশ ।
পৈত্রিক সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়ে ধরা পরে মিমাংসার নাম করে নিজের দিদিকেই কিডনাপ করে খুন করে মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলে পালালো অভিযুক্তরা ।বনগাঁর গোপালনগরের মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা সাহিদা দফাদার বনগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বলেন ,তার বাড়িতেই প্রায় তিরিশ বছর যাবত থাকতো তার বৃদ্ধ দিদি অবিবাহিত হাফিজা মন্ডল (৬৫) । তারা দুই বোন ও এক ভাই মান্নান দফাদার (৬০) ওরফে মুংলা তাদের বাবা আব্দুস সাত্তার মন্ডলের মৃত্যুর পর প্রায় ১৬ বিঘা সম্পত্তির চার ভাগ হওয়ার কথা। সেমতই হাফিজা মন্ডলের ভাগেও প্রায় ৪ বিঘা জমি ছিলো ।তাঁর অবিবাহিত দিদি ওই এলাকায় না থাকার সুবাদে তাঁর পুরো সম্পত্তি জালিয়াতি করে বছর তিনেক আগে নিজের নামে লিখিয়ে নেয় মান্নান এমনটাই অভিযোগ তার বোন সাহিদা দফাদারের ।যদিও দিদির ভাগের জমি আত্মস্বাতের কথা মাস দুই আগে জানতে পারেন দুই বোন সাহিদা দফাদার ও হাফিজা মন্ডল ।বর্তমানে তারা গোপালনগরের মামুদপুর এলাকার বাসিন্দা ।নদীয়া জেলার গাঙনাপুর থানার অন্তর্গত আইসমালি বেলেআটি পাড়ায় তাদের মৃত বাবার বাড়িতে থাকা ভাই মান্নান দফাদারের কাছে জমি লিখিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চায় প্রতারিত দিদি । তখন বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য নদীয়ার গাঙনাপুর থানার আইসমালি বেলে আটি তলা এলাকায় ডাকেন অভিযুক্ত মান্নান ।এরপর চলতি বছরের ২৭ আগস্ট আইসমালি এলাকায় মান্নানের এক আত্মীয় মিজানুর মন্ডলের বাড়িতে মিমাংসার জন্য যায় সাহিদা দফাদার তাঁর দিদি হাফিজা মন্ডল । মিমাংসা চলাকালিন ভাই মান্নান হাফিজাকে জোর করে অন্যত্র তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ । এরপর দিদিকে না পেয়ে ঐদিনই (২৭-০৮-২০১৭) নদীয়ার গাঙনাপুর থানায় দিদিকে নিখোজের একটি অভিযোগ দায়ের করেন সাহিদা দফাদার । এরপর থেকে সাহিদা তার দিদি হাফিজার কোনও খোজ পায়নি । পরে রবিবার বনগাঁ হাসপাতাল থেকে পুলিশ মারফত খবর পেয়ে বনগাঁ হাসপাতালে এসে মৃত দিদির মৃতদেহ চিন্হিতকরন করেন সাহিদা দফাদার ।এই ঘটনায় হাসপাতালে যারা তার দিদিকে ভর্তি করে সেই দুজনও বৃদ্ধার মৃত্যুর খবর শুনে মৃতদেহ হাসপাতালে ফেলেই পালিয়ে যায় । এই ঘটনায় বনগাঁ থানায় সাহিদা তার দিদি হাফিজা মন্ডল (৬৫) কে তুলে নিয়ে গিয়ে চক্রান্ত করে খুন করেছে এই মর্মে ভাই মান্নান দফাদার সহ মোট ৮ জনের নামে বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় তদন্তে নেমেছে বনগাঁ থানার পুলিশ ।

No comments:
Post a Comment