বিজেপি যেমন গরু নিয়ে আন্দোলন করেছে তেমনি ভাবেই দিদি ও বাংলায় গরুর আন্দোলন শুরু করেছে।নদিয়ার কৃষ্ণনগর রবীন্দ্র ভবনে জেলা কংগ্রেসের পঞ্চায়েতিরাজ সম্মেলনে এসে এমনই মন্তব্য করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দিন কয়েক আগে ঘোষনা করেছিলেন রাজ্যের মানুষকে গুরু দেওয়া হবে।তারই সমালোচনা করে অধীর বাবু বলেন, বিজেপি যেমন গরু নিয়ে দেশ জুড়ে আন্দোলন করেছে তেমনি বিজেপির মতোই দিদি ও বাংলায় গরু নিয়ে আন্দোলন শুরু করতে চাইছে।তিনি বলেন দিদি এখন বাংলার মানুষকে বকন বাছুর দেবেন ষাড় দেবেন।সেইসাথে মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন মেলা নিয়েও সরব হলেন প্রদেশ সভাপতি।তিনি বললেন দিদি যে ভাবে রাজ্যজুড়ে মেলা খেলা করে উৎসব করছেন তেমনি গণতন্ত্রের উৎসব ভোট উৎসবকে যদি এমনি ভাবেই পালন করতেন সবাই আমরা বেশি খুশি হতাম।মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাথে তার দলের সমালোচনা করে বলেন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কর্মীরা তোলা তুলছে আর সেই তোলা চলে যাচ্ছে দিদির ভাই ভাইপোদের কাছে।তৃণমূল দলের তোলাবাজি নিয়ে প্রদেশ সভাপতি বলেন, মাংসের টুকরো একটা আর কুর্তা হাজার তো কি করে হবে? ২১ শে জুলাইয়ের শহীদ দিবস নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, ওইদিন পিকনিক হয়।কে কি খেতে পছন্দ করে তা খাওয়া খাওয়ি হয়। একশো দিনের টাকা নিয়ে জেলার প্রশাসনিক কর্তাদেরও আক্রমণ করেন অধীর চৌধুরী বলেন একশো দিনের কাজের টাকা ডিএম এসডিও বিডিও রা মিলেমিশে চুরি করেছে।অধীর বাবুর আক্রমণ থেকে বাদ যায়নি বিজেপিও।প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, ছাপ্পান্ন ইঞ্চি সিনা নিয়ে বুক বাজানো মোদিকে আর দেখা যাচ্ছে না।ভারতবর্ষের রাজনীতিতে একদিকে কংগ্রেস আর অন্যদিকে বিজেপি মাত্র সাড়ে তিন বছর হয়েছে সারা ভারতবর্ষের অর্থনীতি ভেঙে গিয়েছে।এদিন কর্মী থেকে সমর্থক সকলের মুখে শুধু একটাই কথা ছিল।কংগ্রেসের টিকিতে জিতে তৃণমূলে চলে যাচ্ছে সকলে।আর কর্মীদের পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার নয়তো বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাশাচ্ছে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী।এসবের মধ্যেও আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৬০ শতাংশ আসনে প্রার্থী দিতে আগ্রহী বলে জেলার বিভিন্ন ব্লকের সভাপতিরা আশ্বাস দেন প্রদেশ সভাপতির কাছে জেলা কংগ্রেসের পঞ্চায়েতীরাজ সম্মেলনে।
বিজেপি যেমন গরু নিয়ে আন্দোলন করেছে তেমনি ভাবেই দিদি ও বাংলায় গরুর আন্দোলন শুরু করেছে।নদিয়ার কৃষ্ণনগর রবীন্দ্র ভবনে জেলা কংগ্রেসের পঞ্চায়েতিরাজ সম্মেলনে এসে এমনই মন্তব্য করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দিন কয়েক আগে ঘোষনা করেছিলেন রাজ্যের মানুষকে গুরু দেওয়া হবে।তারই সমালোচনা করে অধীর বাবু বলেন, বিজেপি যেমন গরু নিয়ে দেশ জুড়ে আন্দোলন করেছে তেমনি বিজেপির মতোই দিদি ও বাংলায় গরু নিয়ে আন্দোলন শুরু করতে চাইছে।তিনি বলেন দিদি এখন বাংলার মানুষকে বকন বাছুর দেবেন ষাড় দেবেন।সেইসাথে মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন মেলা নিয়েও সরব হলেন প্রদেশ সভাপতি।তিনি বললেন দিদি যে ভাবে রাজ্যজুড়ে মেলা খেলা করে উৎসব করছেন তেমনি গণতন্ত্রের উৎসব ভোট উৎসবকে যদি এমনি ভাবেই পালন করতেন সবাই আমরা বেশি খুশি হতাম।মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাথে তার দলের সমালোচনা করে বলেন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কর্মীরা তোলা তুলছে আর সেই তোলা চলে যাচ্ছে দিদির ভাই ভাইপোদের কাছে।তৃণমূল দলের তোলাবাজি নিয়ে প্রদেশ সভাপতি বলেন, মাংসের টুকরো একটা আর কুর্তা হাজার তো কি করে হবে? ২১ শে জুলাইয়ের শহীদ দিবস নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, ওইদিন পিকনিক হয়।কে কি খেতে পছন্দ করে তা খাওয়া খাওয়ি হয়। একশো দিনের টাকা নিয়ে জেলার প্রশাসনিক কর্তাদেরও আক্রমণ করেন অধীর চৌধুরী বলেন একশো দিনের কাজের টাকা ডিএম এসডিও বিডিও রা মিলেমিশে চুরি করেছে।অধীর বাবুর আক্রমণ থেকে বাদ যায়নি বিজেপিও।প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, ছাপ্পান্ন ইঞ্চি সিনা নিয়ে বুক বাজানো মোদিকে আর দেখা যাচ্ছে না।ভারতবর্ষের রাজনীতিতে একদিকে কংগ্রেস আর অন্যদিকে বিজেপি মাত্র সাড়ে তিন বছর হয়েছে সারা ভারতবর্ষের অর্থনীতি ভেঙে গিয়েছে।এদিন কর্মী থেকে সমর্থক সকলের মুখে শুধু একটাই কথা ছিল।কংগ্রেসের টিকিতে জিতে তৃণমূলে চলে যাচ্ছে সকলে।আর কর্মীদের পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার নয়তো বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাশাচ্ছে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী।এসবের মধ্যেও আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৬০ শতাংশ আসনে প্রার্থী দিতে আগ্রহী বলে জেলার বিভিন্ন ব্লকের সভাপতিরা আশ্বাস দেন প্রদেশ সভাপতির কাছে জেলা কংগ্রেসের পঞ্চায়েতীরাজ সম্মেলনে।

No comments:
Post a Comment