রাণী রাসমণি রোডে মুকুল রায়ের তৃণমূল ফাইল ফাঁস। মুকুল রায় তাঁর গোপন ফাইল নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য দেন জনসাধারণের কাছে। তিনি তৃণমূলের ভান্ডা ফাঁটিয়ে বলেন, তৃণমল এখন কোনো দল না কোম্পানি হয়ে উঠেছে।
তৃণমূলের মানুষরা ক্ষমতায় আসার আগে বলতেন বদলা নয় বদল চায়, কিন্ত তা উল্টে গেছে। একদিকে ডেঙ্গুতে মানুষ মারা যাচ্ছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর কোনো হুঁশ নেই। তিনি তা আটকাতে পারছেন না। সিপিএমের সময় এমন দমননীতি চলেনি। নাচা গানা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী। অযোগ্য মহিলাকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পদে। সামান্য ডেঙ্গুর সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কেন তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছেন কেন?তার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি কোনো চিট কোম্পানি তে থাকতে পারেননি। তাই তিনি বাধ্য হয়ে দল ছেড়েছেন। মুকুল বাবু ফাইল খুলে বলেন, বিশ্ব কাপ ফুটবল স্পনসার বাই বিশ্ব বাংলা। এটা হল একটা কোম্পানি এর মালিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তার প্রমাণ তাঁর ফাইলে। তৃণমূল বলে জাগো বাংলা তাদের মুখপত্র। জাগো বাংলা একটা কোম্পানি এদের মালিকের নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যত প্রিন্ট, লোগো,রং সব কিছুর মালিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুল ফাইল দেখিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু উন্নয়নের নামে যা চলছে তাতে উন্নয়ন না বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সরস্বতী পূজো বন্ধ হয়ে গেছে,নির্লজ্জের মতন তোষণ নীতি চলছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে এরাজ্যে। এমপিএস, আইকোর, ইত্যাদি সব চিট ফান্ড কিন্ত তা কর্পোরেট বলা হচ্ছে তার মালিক মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।নাকতলার পুজোয় চিটফান্ডের বিজ্ঞাপন। পাতে দেওয়ার মতন বিনিয়োগ করেনি তৃণমূল। ক্লাবের সভাপতি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সুদীপ্ত সেন ৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন শাসকদলকে।সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডেলোর মিটিং এ মুকুল রায় ও কুণাল ঘোষ সহ রাঘবেন্দ ছিলেন। তিনি দাবী করেন, আগামী পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটে বিজেপিই জিতবে। সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছেন বিজেপিতে যোগদান দেওয়ার। তিনি বলেন, অনেক ভেবে চিন্তা ভাবনা করে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি বিজেপির প্রশংসা করে বলেন, নরেন্দ্র মোদীর জন্য দ্রুত ভারত এগোচ্ছে। তিনি তাঁর বক্তৃতা শেষে বন্দেমাতরম ও ভারতমাতা কি জয় বলেন।
পাশাপাশি তিনি অপেক্ষা করতে বললেন আরও তথ্য ফাঁস করার জন্য।
Read in English version...

No comments:
Post a Comment