ফেরি ঘাটের দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে ।গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে ফেরি ঘাটের পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। ফেরি ঘাটের দায়িত্বে থাকা মালিক ও কর্মীদের প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়াও হচ্ছে।ফেরি ঘাটের দখল ছাড়তে এলাকায় চলছে অনবরত হুমকি।এতে ফেরি ঘাটের কর্মীরা ভীষণ আতংকিত।এই ঘটনা খানাকুলের বন্দর এলাকার।আর এই দ্বন্দ্ব স্থানীয় তৃণমূল নেতা জয়নাল আবেদিনের সাথে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান দিলিপ সানকির।পরিস্থিতি এমনই উত্তপ্ত যে, যেকোন সময়েই বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
ফেরি ঘাটের মালিক জয়নাল আবেদিন বলেন,
আমি সরকারি ডাক হিসাবে ৫লক্ষ ৭০ হাজার টাকার বিনিময়েএই স্বত্ব্বাধিকার পাই।যার ৮০ শতাংশ অর্থআমাকে ডাকের সময়ে জমা দিতে হয়েছে।গত বছর এই অর্থের পরিমান ছিল ৫লক্ষ ৫০ হাজার।অর্থের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারি আধিকারিকদের মত ও অনুমতি অনুসারে যাত্রিপিছু কিছু ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়। যা হয়েছে সব টাই প্রকাশ্যে এবং সরকারি নিয়ম অনুসারেই হয়েছে।অথচ এখান কার পঞ্চায়েত প্রধান গায়ের জোড়ে তার লোকজন দের নিয়ে এসে আমার কর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন।অনবরত ত্রাস সৃষ্টিকরছেন। তাতে ফেরি ঘাটের কর্মীরা তীব্র আতংকিত।তারা কাজ করতেই চাইছেন না। এতে পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে।এই সব গরিব কর্মী দের অন্নে আঘাত করছেন প্রধান দিলিপ সানকি।দলের নাম ভাঁড়িয়ে এবং ক্ষমতার জেরে তিনি তার দলবল নিয়ে এই অন্যায় কাজ করছেন।আমি থানাতেও জানিয়েছি।আমার কর্মীরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন।প্রধান ও তার দলবল এসে আমার কর্মীদের টাকা তোলা চাইছেন।আমি তাতে নারাজ হলে এই ভাবে তিনি অত্যাচার শুরু করেছেন।
অন্যদিকে দিলিপ সানকির অভিযোগ,আমার পঞ্চায়েত এলাকার ফেরিঘাটের ডাক হচ্ছে।অথচ আমি অন্ধকারে। কিসের জন্য ? হঠাৎ করে যাত্রী ভাড়া ডবল করা হল।

No comments:
Post a Comment