দল পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে উদবিঘ্ন নয় বরং লোকসভা নির্বাচনে কি ভাবে সংঘটন কাজ করবে সে নিয়েই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। জেলার প্রতিটি ব্লকে ব্লকে প্রাক-পঞ্চায়েত জনসভা করছে জেলা তৃনমূল কংগ্রেস। রবিবার বিকালে ইলামবাজারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “জানি সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, কিন্তু আমি এখানে পঞ্চায়েত ভোট করতে আসি নি। আমি লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্ব সারতে এসেছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সারা জেলা বিরোধী শূন্য হয়ে যাবে, আর সেই কাজ করবে আমার বুথস্তরের কর্মীরা, যারা মা মাটি মানুষ সরকারের সৈনিক। তারাই পঞ্চায়েত ভোট করে দেবে, আমাদের দরকার নেই।” তিনি আরো বলেন “আমার বুথ কর্মীরা জানে নি ভাবে ভোট করতে হয়। তারা সেই ভাবেই ভোট করবে। কেউ যদি বাড়াবাড়ি করে, দুষ্টুমি করে আপনারা ব্যবস্থা নেবেন। আপনারা সব রোগের ওষুধ জানেন – যেমন রোগ তেমন ওষুধ দেবেন, রোগ সেরে যাবে।” তিনি বিজেপির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “বিজেপি একটা ভাঁওতাবাজের সরকার। তারা শুধু লোক কে ভাঁওতা দেয়। উত্তরপ্রদেশে ভোটের প্রচারে বিজেপি বলল তারা নাকি কৃষি ঋন মকুব করে দেবে। যে চাষির পঞ্চাশ হাজার দুশ একুশ টাকা ঋন আছে – তার এক টাকা পঁয়ত্রিশ পয়সা ঋন মকুব করে দিয়ে মানুষ কে ভাঁওতা দিচ্ছে। আমাদের রাজ্যে সেটা নয়। এখানে মুখ্যমন্ত্রী যেটা বলেন সেটাই করা হয়। বিজেপি মানুষকে ভাঁওতা দেয় – তৃনমূল কংগ্রেস নয়।”
দল পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে উদবিঘ্ন নয় বরং লোকসভা নির্বাচনে কি ভাবে সংঘটন কাজ করবে সে নিয়েই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। জেলার প্রতিটি ব্লকে ব্লকে প্রাক-পঞ্চায়েত জনসভা করছে জেলা তৃনমূল কংগ্রেস। রবিবার বিকালে ইলামবাজারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “জানি সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, কিন্তু আমি এখানে পঞ্চায়েত ভোট করতে আসি নি। আমি লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্ব সারতে এসেছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সারা জেলা বিরোধী শূন্য হয়ে যাবে, আর সেই কাজ করবে আমার বুথস্তরের কর্মীরা, যারা মা মাটি মানুষ সরকারের সৈনিক। তারাই পঞ্চায়েত ভোট করে দেবে, আমাদের দরকার নেই।” তিনি আরো বলেন “আমার বুথ কর্মীরা জানে নি ভাবে ভোট করতে হয়। তারা সেই ভাবেই ভোট করবে। কেউ যদি বাড়াবাড়ি করে, দুষ্টুমি করে আপনারা ব্যবস্থা নেবেন। আপনারা সব রোগের ওষুধ জানেন – যেমন রোগ তেমন ওষুধ দেবেন, রোগ সেরে যাবে।” তিনি বিজেপির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “বিজেপি একটা ভাঁওতাবাজের সরকার। তারা শুধু লোক কে ভাঁওতা দেয়। উত্তরপ্রদেশে ভোটের প্রচারে বিজেপি বলল তারা নাকি কৃষি ঋন মকুব করে দেবে। যে চাষির পঞ্চাশ হাজার দুশ একুশ টাকা ঋন আছে – তার এক টাকা পঁয়ত্রিশ পয়সা ঋন মকুব করে দিয়ে মানুষ কে ভাঁওতা দিচ্ছে। আমাদের রাজ্যে সেটা নয়। এখানে মুখ্যমন্ত্রী যেটা বলেন সেটাই করা হয়। বিজেপি মানুষকে ভাঁওতা দেয় – তৃনমূল কংগ্রেস নয়।”

No comments:
Post a Comment